শিশুর ব্যক্তিত্বে মা-বাবার জিনের অবদান

বিজ্ঞান বলছে, একটি শিশুর শরীর, স্বভাব, বুদ্ধি ও কিছু স্বাস্থ্যগত বৈশিষ্ট্য মা-বাবার জিন থেকে আসে। শিশুর মোট ৪৬টি ক্রোমোজোমের অর্ধেক আসে মায়ের থেকে, অর্ধেক বাবার থেকে। এই জিনগুলোর সমন্বয়েই শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বৈশিষ্ট্য গড়ে ওঠে।
মায়ের প্রভাব:
-
ত্বক, চুল ও চোখের রঙ: শিশু জন্মের পর অনেক সময় মায়ের সঙ্গে চোখ, চুল এবং ত্বকের রঙে মিল পাওয়া যায়।
-
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: গর্ভকালেই মা থেকে কিছু প্রতিরোধ ক্ষমতা পাওয়া যায়, যা শিশুকে কিছু রোগ থেকে স্বাভাবিকভাবে সুরক্ষা দেয়।
-
স্বভাব ও আচরণ: শিশুর আবেগ, সংবেদনশীলতা এবং আচরণের কিছু দিক মায়ের জিন ও যত্ন-আচরণ থেকে প্রভাবিত হতে পারে।
বাবার প্রভাব:
-
লিঙ্গ নির্ধারণ: মায়ের ক্রোমোজোম সবসময় X, বাবার X বা Y ক্রোমোজোমের ওপর নির্ভর করে ছেলে বা মেয়ে জন্ম নেবে।
-
উচ্চতা: শিশুর উচ্চতায় বাবার জিনের প্রভাব বেশি দেখা যায়।
-
মুখমণ্ডল ও শরীরের গঠন: নাক, চোয়াল ও শরীরের কাঠামো প্রায়ই বাবার সঙ্গে মিল থাকে।
-
বুদ্ধিমত্তা ও আচরণ: শেখার ক্ষমতা এবং ব্যক্তিত্বের কিছু দিকও বাবার জিন থেকে আসে।
সারসংক্ষেপ:
শিশুর পূর্ণ ব্যক্তিত্ব গঠিত হয় মায়ের ও বাবার জিনের সমন্বয়, পরিবেশ, লালন-পালন এবং জীবনযাপনের প্রভাব মিলিয়ে। ফলে সন্তান কখনো শুধুমাত্র মা বা বাবার মতো হয় না, বরং দুইজনের সংমিশ্রণে তার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য গড়ে ওঠে।
দৈএনকে/জে, আ