বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনকল্যাণে এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে গবেষণার আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা
  • শিশুর অ্যানিমিয়া: কারণ, ঝুঁকি ও সঠিক চিকিৎসা

    শিশুর অ্যানিমিয়া: কারণ, ঝুঁকি ও সঠিক চিকিৎসা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শিশুদের মধ্যে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া একটি সাধারণ সমস্যা, যা অভিভাবকরা অনেক সময় তাত্ক্ষণিকভাবে শনাক্ত করতে পারেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর অ্যানিমিয়ার কারণ জেনে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

    শিশুর অ্যানিমিয়ার প্রধান কারণগুলো:

    • পুষ্টিহীনতা: শিশুর খাবারে আয়রন, ফলিক অ্যাসিড বা কপার জাতীয় খনিজ পদার্থের অভাব।

    • খাবারের অভ্যাস: অনেক অভিভাবক ১ বছরের বেশি বয়সী শিশুকে শুধু দুধ খাইয়ে থাকেন, মাছ-ভাত বা তরকারি দেন না। দুধে রক্ত গঠনের উপাদান খুব কম থাকায় শিশু অ্যানিমিয়ায় ভোগে।

    • জন্মগত সমস্যা: অকালিক বা স্বল্পওজনের নবজাতক শিশুর শরীরে জন্মকালেই আয়রন কম থাকে।

    • পরজীবী সংক্রমণ: খোলা জায়গায় খালি পায়ে হাঁটাহাঁটি করলে হুককৃমি সংক্রমণ হয়, যা রক্তশূন্যতা ডেকে আনে।

    • সংক্রমণ ও রোগ: গোলকৃমি, আন্ত্রিক সংক্রমণ, ম্যালেরিয়া, থ্যালাসেমিয়া, ব্লাড ক্যানসার বা হিমোফেলিয়ার মতো রোগ।

    • আঘাত ও রক্তক্ষরণ: দুর্ঘটনা, পলিপ, নাক বা মলদ্বারের রক্তপাত।

    • ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধ হাড়ের মজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    প্রকারভেদ:

    • ডিসহিমোপয়েটিক অ্যানিমিয়া: রক্তকণিকা তৈরি হলেও যথাযথভাবে হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না।

    • হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া: রক্তকোষ দ্রুত ভেঙে যায়।

    পরামর্শ ও চিকিৎসা:

    • শিশুর অ্যানিমিয়া সঠিকভাবে নির্ণয় করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

    • নিয়মিত কৃমির ওষুধ ব্যবহার করা প্রয়োজন।

    • মারাত্মক অ্যানিমিয়ার ক্ষেত্রে রক্তের উপাদান সতর্কভাবে পরিবেশন করা হয়।

    • ফ্যাকাশে শিশুর ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

    • কোনো কারণে শিশু থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে, তাই চিকিৎসা ছাড়া আয়রন সিরাপ দেওয়া অনুচিত।

    শিশুর অ্যানিমিয়া উপেক্ষা করা চলবে না; কারণ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা স্বাস্থ্যসম্মত বিকাশ নিশ্চিত করে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ