বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনকল্যাণে এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে গবেষণার আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা
  • একটোপিক প্রেগনেন্সি: গর্ভধারণের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা

    একটোপিক প্রেগনেন্সি: গর্ভধারণের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গর্ভাবস্থা প্রতিটি নারীর জীবনে এক আনন্দের সংবাদ নিয়ে এলেও কিছু ক্ষেত্রে তা হয়ে উঠতে পারে জীবনঘাতী। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘একটোপিক প্রেগনেন্সি’। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে গর্ভধারণ হলেও ভ্রূণটি জরায়ুর স্বাভাবিক আবহের ভেতরে না বেড়ে জরায়ুর বাইরে কোথাও অবস্থান নেয়। সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা না করা হলে এটি মায়ের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    ভ্রূণের অস্বাভাবিক অবস্থান
    স্বাভাবিক গর্ভাবস্থায় ভ্রূণ জরায়ুর ভেতরে বড় হতে থাকে। কিন্তু একটোপিক প্রেগনেন্সিতে ভ্রূণটি জরায়ুর বাইরে—বিশেষ করে ফ্যালোপিয়ান টিউব, ডিম্বাশয় কিংবা পেটের ভেতরের অন্য কোনো অঙ্গে বসে যায়। জরায়ুর বাইরে বাচ্চা বড় হওয়ার মতো পর্যাপ্ত জায়গা বা পরিবেশ না থাকায় সেখানে ভ্রূণটি টিকে থাকতে পারে না এবং একপর্যায়ে তা ফেটে গিয়ে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

    চেনার উপায়: প্রধান লক্ষণসমূহ
    একটোপিক প্রেগনেন্সি শনাক্ত করতে নিচের লক্ষণগুলোর প্রতি সজাগ থাকা জরুরি:

    • তীব্র ব্যথা: তলপেটের যেকোনো একপাশে হঠাৎ অসহ্য ব্যথা অনুভূত হওয়া।
    • রক্তস্রাব: যোনিপথ দিয়ে অস্বাভাবিক রক্তপাত কিংবা বাদামী রঙের স্রাব নির্গত হওয়া।
    • শারীরিক দুর্বলতা: মাথা ঘোরা বা চরম দুর্বলতা বোধ করা।
    • কাঁধে ব্যথা: কিছু ক্ষেত্রে ওপরের দিকে অর্থাৎ কাঁধেও ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

    ঝুঁকির কারণ ও বিপদ
    ফ্যালোপিয়ান টিউবে কোনো ব্লকেজ বা সমস্যা থাকলে, আগে টিউবে অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে কিংবা পূর্ববর্তী কোনো ইনফেকশনের কারণে এই জটিলতা তৈরি হতে পারে। এছাড়া আগে একবার একটোপিক প্রেগনেন্সি হয়ে থাকলেও পরবর্তী গর্ভাবস্থায় পুনরায় এই ঝুঁকি থেকে যায়। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে মায়ের জীবনহানি ঘটতে পারে।

    বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
    গর্ভাবস্থার শুরুতে যদি অস্বাভাবিক ব্যথা বা রক্তস্রাব দেখা দেয়, তবে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। প্রাথমিক অবস্থায় আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে ভ্রূণের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করা গেলে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ