রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • তফসিল নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ ইসির ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক, উদ্বেগ জানাল ইএসডিও ‘স্বৈরাচার হেরেছে’ স্লোগানে মুখর দিল্লি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে উচ্ছ্বাস রোববার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তের পথে, আগস্টেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি তথ্যভিত্তিক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ওপর জোর দিলেন তথ্যমন্ত্রী দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, একদিনে প্রাণ গেল একজনের ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভিসা সমস্যা সমাধানের আহ্বান শাপলা চত্বর মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই হাম-উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, সর্বশেষ ৬ শিশুর সবাই ঢাকা বিভাগের
  • সেন্টমার্টিনে কেয়াবন কেটে রিসোর্ট, পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

    সেন্টমার্টিনে কেয়াবন কেটে রিসোর্ট, পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে কেয়াবন উজাড় করে রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর মামলা দায়ের করেছে।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    তিনি জানান, টেকনাফ মডেল থানায় পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. মুসাইব ইবনে রহমান বাদী হয়ে দুইজনকে এজহার নামীয় আসামি করে গত বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি করেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    আসামিরা হলেন, সেন্ট মার্টিনের দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে কেফায়েত আল্লাহ এবং রিসোর্ট মালিক নুর মোহাম্মদ খান।

    মামলার এজাহারে বলা হয়, সেন্ট মার্টিন ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণের জন্য গত কয়েকদিন ধরে বেশ কিছু কেয়া গাছ কাটা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করলে পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল ঘটনার সত্যতা পায়।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন বলেন, সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় আমরা কাজ করছি। কেয়াগাছ দ্বীপের সম্পদ, পরিবেশবিরোধী কাজ পরিলক্ষিত হওয়ায় বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রসঙ্গত, পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে।  ইসিএ এর আইন অনুযায়ী, এই দ্বীপে এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যার মাধ্যমে দ্বীপের পানি, মাটি, বায়ু বা প্রাণীর ক্ষতি হয়। এখানে যেকোনো প্রকারের অবকাঠামো নির্মাণও নিষিদ্ধ করা হয়।

    এছাড়া ২০২২ সালে আরেকটি প্রজ্ঞাপনে সেন্ট মার্টিনকে মেরিন প্রটেকটেড এরিয়া ঘোষণা করা হয় যেখানে ইট ও সিমেন্ট নেয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

    স্থানীয় প্রশাসনের পরিসংখ্যান বলছে,  ইতোমধ্যে ২৩৭টির বেশি হোটেল-রির্সোট-কটেজ নির্মাণ করা হয়েছে। একসময় দ্বীপ বৃক্ষ-গাছে পরিপূর্ণ থাকলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে শুরু করে, প্রবাল প্রজাতির সংখ্যা ১৪১ থেকে এখন ৪০ এ দাঁড়িয়েছে।

    পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ রক্ষায় যথাযথ কার্যক্রম পরিচালনা না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনজীবী আব্দুল মালেক বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে সেন্ট মার্টিনে অনিয়ন্ত্রিত স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। এতে করে দ্বীপ ও দ্বীপের মানুষেরা সুরক্ষিত থাকবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন