বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • প্রথমবার নারী প্রধানমন্ত্রী পেল মরক্কো, দায়িত্বে ফাতিমা এল মানসুরি ২৩ বছর পর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আজ বিকালে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ব্রিটিশ বিনিয়োগের আহ্বান মন্ত্রীর নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
  • কিশোরদের মানসিক ক্ষতির অভিযোগে মেটা ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা

    কিশোরদের মানসিক ক্ষতির অভিযোগে মেটা ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে শুরু হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা, যেখানে আসামি হিসেবে রয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানি মেটা ও ইউটিউব। মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়েছে, এই প্ল্যাটফর্মগুলো কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

    মামলাটি করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার এক কিশোরী, যিনি আদালতে কেজিএম নামে পরিচিত। মামলায় তার মা ক্যারেন গ্লেনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

    বাদীপক্ষের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে আসক্তি তৈরি করে। অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখে। বারবার নোটিফিকেশন আসে, ফিডের শেষ নেই, একটি ভিডিও শেষ হতেই আরেকটি শুরু হয়। এর ফলে কিশোরীর মানসিক অবস্থা খারাপ হয় এবং তিনি হতাশায় ভুগছেন।

    প্রাথমিকভাবে মামলায় টিকটক ও স্ন্যাপও ছিল, তবে বিচার শুরুর আগে তারা আলাদা সমঝোতায় পৌঁছেছে। এখন আদালতে মুখোমুখি মেটা ও ইউটিউব।

    বাদীপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, সমস্যা কেবল কনটেন্ট নয়; মূল সমস্যা প্ল্যাটফর্মের নকশাতেই। ব্যবহারকারী যেন বারবার ফিরে আসে—এই নকশা কিশোরদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব প্ল্যাটফর্মে সাইবার বুলিং, শরীর নিয়ে নেতিবাচক তুলনা, এবং অচেনা প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এ ধরনের প্রায় দেড় হাজার মামলা বিচারাধীন। কেজিএমের মামলা দৃষ্টান্তমূলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার রায় ভবিষ্যতের অন্যান্য মামলার পথে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রযুক্তি কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দেবেন, এবং প্রক্রিয়া কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে।

    মেটা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, কিশোরদের জন্য আলাদা নিরাপদ অ্যাকাউন্ট চালু আছে, যেখানে গোপনীয়তা সুরক্ষা ও অভিভাবক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ বেশি। ইউটিউব জানিয়েছে, সংবেদনশীল কনটেন্টে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং কম বয়সী ব্যবহারকারী শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার হচ্ছে।

    তবে সমালোচকেরা বলছেন, এসব যথেষ্ট নয়, কারণ মূল নকশাই ব্যবহারকারীর মনোযোগ ধরে রাখার জন্য তৈরি।

    মামলার রায় প্রযুক্তি খাতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, কোম্পানিগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে এবং নকশা ও নীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন