নির্বাচনী দৌড় থেকে ছিটকে গেলেন তাসনিম জারা

শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২6) ঢাকা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা রেজাউল করিম এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় নির্বাচনী প্রক্রিয়া–সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানান। ঘোষণার পরপরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রার্থী তাসনিম জারা বলেন, তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করবেন।
তাসনিম জারা জানান, ঘোষণাটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি আইনগত প্রস্তুতি শুরু করেছেন এবং দ্রুতই নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন জমা দেবেন। তাঁর ভাষ্য, “আমি কমিশনের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি এবং আপিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ চাই।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার সংবিধান ও নির্বাচনী আইন দ্বারা স্বীকৃত, এবং এ ধরনের পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। নির্বাচন কমিশন আপিল গ্রহণের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুনানি ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই ঘোষণার পর ঢাকা জেলার নির্বাচনী অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যেখানে সবার নজর এখন নির্বাচন কমিশনের আপিল প্রক্রিয়া ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।
দুইজন ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে গরমিল পাওয়া গেছে জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, যে দুই জনের তথ্য গরমিল পেয়েছে, এদের মধ্যে একজনের জানার কোনো উপায় ছিল না যে তিনি ঢাকা-৯ আসনের ভোটা না। আরেকজন যার ব্যতিক্রম এসেছে, তার কাছে এসআইডির যে হার্ড কপি আছে সেখানকার ঠিকানা অনুযায়ী তিনি জানতেন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। তবে নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্য আছে তিনি এ আসনের ভোটার না।
গত ২৭ ডিসেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের পর ঢাকা–৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন তাসনিম জারা। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী সমঝোতার প্রেক্ষাপটে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।