"/>
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • জাপান সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় হেফাজতে বন্ধু দীপ মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫
  • জেনে নিন ক্যান্সারের ৭টি নিঃশব্দ সতর্ক সংকেত

    জেনে নিন ক্যান্সারের ৭টি নিঃশব্দ সতর্ক সংকেত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ছোট ও স্থায়ী লক্ষণগুলোর মাধ্যমে এটি শরীরকে সংকেত পাঠায়, যা প্রায়ই সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা বা বয়সজনিত পরিবর্তনের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলা হয়। এই অবহেলা রোগকে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ দেয়।

    ড. জয়েশ শর্মা বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সারের ছোট পরিবর্তনগুলো শনাক্ত করলে জীবন রক্ষা করা সম্ভব। দেরি করলে রোগটি অচেনা অবস্থায় ছড়িয়ে পড়ে।”
     
    ড. শর্মা ব্যাখ্যা করেন, ক্যান্সার সাধারণত তীব্র ব্যথা বা বড় লক্ষণ দিয়ে শুরু হয় না। এটি সূক্ষ্মভাবে, ছোট ছোট চিহ্ন দিয়ে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ এই সংকেতগুলোকে প্রায়শই মানসিক চাপ, সংক্রমণ বা বয়সজনিত পরিবর্তন মনে করে। তিনি বলেন, “প্রায় সব ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে নিরাময়যোগ্য। তবে দেরি করলে চিকিৎসার ফলাফল সীমিত হয়ে যায়।”

    মুখের ভিতরে যে কোনও ফোস্কা, আলসার বা ক্ষত যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায় না, তা কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। ভারতের মতো দেশে মুখের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো তামাক সেবন।

    অপ্রত্যাশিত রক্তপাতও গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। স্পষ্ট কারণ ছাড়া হাঁচি বা কাশি দিয়ে রক্ত আসা ফুসফুসের ক্যান্সারের ইঙ্গিত দিতে পারে। এছাড়াও, মাসিক চক্রের মধ্যে বা রজঃনিরোধক ব্যবহারের পর রক্তপাত গর্ভাশয় ক্যান্সারের সম্ভাবনা দেখাতে পারে।

    নারীদের মধ্যে গর্ভাশয় ক্যান্সার দ্বিতীয় সর্বাধিক সাধারণ, এরপর স্তন ক্যান্সার। প্রাথমিক লক্ষণ সাধারণত অনিয়মিত বা স্থায়ী যোনি রক্তপাত। ড. শর্মা বলেন, “অনেক নারী এটি স্বাভাবিক মনে করেন, বিশেষ করে মেনোপজের সময়। তবে এটি বিপজ্জনক হতে পারে।” নিয়মিত প্যাপ স্মিয়ার, ম্যামোগ্রাম এবং এইচপিভি ভ্যাকসিন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক।
     
    ক্যান্সারের শুরুতে ব্যথা সাধারণত থাকে না। এটি আসে রোগের অগ্রগতির সঙ্গে। প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে:
    স্থায়ী ক্লান্তি,অজানা ওজন কমা,ত্বক বা শারীরিক ফাংশনে পরিবর্তন।

    এই ছোট কিন্তু পুনরাবৃত্তি হওয়া সমস্যা কখনও উপেক্ষা করা উচিত নয়। শরীর সাধারণত সূক্ষ্ম সংকেত দিয়ে থাকে, যা লক্ষ্য করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সম্ভব।

    নিয়মিত পরীক্ষা এবং সচেতনতার গুরুত্ব
    ড. শর্মা বলেন, ক্যান্সার সচেতনতা এবং প্রতিরোধী স্বাস্থ্যপরিচর্যা চিকিৎসার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্ব-পরীক্ষা এবং নিজের শরীর বোঝা দেরি-পর্যায়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।
    তিনি বিশেষভাবে উপদেশ দেন, স্ব-চিকিৎসা বা পুনরাবৃত্তি লক্ষণ কখনও উপেক্ষা করবেন না। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্ক্রিনিং অপরিহার্য। সচেতনতা যদি কার্যকরী পদক্ষেপে রূপান্তরিত হয়, ক্যান্সারকে সবচেয়ে প্রাথমিক এবং চিকিৎসাযোগ্য পর্যায়ে শনাক্ত করা সম্ভব।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন