মায়ের গর্ভাবস্থার চাপ ছেলে ভ্রূণকে প্রভাবিত করে

নিউইয়র্ক-প্রেসবিটেরিয়ান এবং কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকরা একটি নতুন গবেষণায় প্রকাশ করেছেন, গর্ভাবস্থায় মায়ের অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক চাপ সন্তানের জন্মের সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে।
‘পিএনএএস’ জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েরা গর্ভাবস্থায় বেশি চাপে থাকেন, তাদের ছেলে ভ্রূণ টিকে থাকার হার কমে যায়। ফলস্বরূপ, পরিসংখ্যানগতভাবে মেয়ে শিশুর জন্মের হার বৃদ্ধি পায়।
গবেষণার প্রধান ড. ক্যাথরিন মঙ্ক জানিয়েছেন, জরায়ু শিশুর প্রথম ও সবচেয়ে প্রভাবশালী আবাসস্থল। ১৮৭ জন গর্ভবতী নারীর ওপর চালানো জরিপে দেখা গেছে, যারা গর্ভাবস্থায় তীব্র মানসিক বা শারীরিক চাপের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন, তাদের মধ্যে মেয়ে শিশু জন্মের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
গবেষকরা ব্যাখ্যা করেন, পুরুষ ভ্রূণ জরায়ুর প্রতিকূল পরিবেশের প্রতি তুলনামূলকভাবে বেশি সংবেদনশীল। অতিরিক্ত চাপের কারণে গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়েই ছেলে ভ্রূণ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা অনেক সময় মায়ের অগোচরে ঘটে যায়। অতীতের নজির হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন, নিউইয়র্কে ৯/১১-এর পরও ছেলে শিশুর জন্মের হার কমে গিয়েছিল।
গবেষকরা আশা করছেন, এই ফলাফল গর্ভবতী মায়েদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বোঝাতে সহায়ক হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে উদ্বুদ্ধ করবে।