রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • উত্তরা ইপিজেডে বন্ধ কারখানা চালুর দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন

    উত্তরা ইপিজেডে বন্ধ কারখানা চালুর দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নীলফামারী উত্তরা ইপিজেডের অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়া সনিক বাংলাদেশ লিমিটেড কারখানা দ্রুত চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে শ্রমিকরা। রবিবার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে নীলফামারী উত্তরা ইপিজেডের প্রধান ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (উত্তরবঙ্গ) নির্বাহী পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

    মানববন্ধন চলাকালীন সময় বক্তব্য রাখেন উক্ত কোম্পানির শ্রমিক—নাজমুল হোসেন, শরিফুল মণ্ডল, রাবেয়া বেগম, আসমা বেগম, ইয়াসমিন, রুবেল রানা, আব্দুর রহমান, সুজন ইসলামসহ অনেকে।

    এসময় তারা বলেন, “আমাদের এই কারখানা শুধুমাত্র একটি কর্মস্থল নয়, এটি আমাদের জীবিকা, আমাদের পরিবারের স্বপ্ন আর ভবিষ্যতের ভরসাস্থল। কারখানার শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ বজায় রাখার দায়িত্ব আমাদেরই। কিন্তু কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ব্যক্তিগত স্বার্থে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমাদের উচিত, নিজেদের এবং পরিবারের স্বার্থে কারও উসকানির ফাঁদে পা না দেওয়া।”

    তারা আরও বলেন, “আমরা আর কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, চাই না আর কোনো আন্দোলন। আমরা আমাদের কর্মস্থল চাই। ইপিজেড চললে শ্রমিক বাঁচবে, শ্রমিক বাঁচলে পরিবার বাঁচবে।” স্লোগান তোলেন— ‘আন্দোলন হটাও, ইপিজেড বাঁচাও’।

    প্রসঙ্গত, ২৬ দফা দাবি নিয়ে গত ১৬ নভেম্বর থেকে আন্দোলন শুরু করেছিলেন সনিক ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা। ১৭ নভেম্বর মালিকপক্ষ তাদের দাবি মেনে নিলেও কয়েকজন এতে অসন্তুষ্ট হন। ফলে ১৮ নভেম্বর সনিক বাংলাদেশ লিমিটেডের শতাধিক শ্রমিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘অকারণে শ্রমিক ছাঁটাই ও ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের পুনর্বহালসহ নানা দাবিতে’ কর্মবিরতি পালন করেন। কাজে যোগদান না করা এবং উৎপাদনে ঘাটতি হওয়ায় সেদিন কারখানা কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য কোম্পানি বন্ধের নোটিশ জারি করে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন