সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • র‌্যাবের নতুন মহাপরিচালক হলেন আহসান হাবীব পলাশ ঈদে শ্রমিকদের সুবিধার্থে পোশাক কারখানায় ধাপে ধাপে ছুটি ঘোষণা দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম ব্যাচের ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রওনা প্রধানমন্ত্রীর বাতিল আর্জেন্টিনা-স্পেন ফিনালিসিমা; স্বপ্নভঙ্গ কোটি ভক্তের নগর পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ঈদ উপহার শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ উন্নত চিকিৎসায় সিঙ্গাপুরে, নিবিড় পরিচর্যায় মির্জা আব্বাস দেশের ৫৩ খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রপ্তানিতে ৫২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ: দুদকের ৬ মামলা

    মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রপ্তানিতে ৫২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ: দুদকের ৬ মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে ৩ হাজার ৩৩১ জন শ্রমিকের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ আদায়ের মাধ্যমে ৫২৫ কোটি ২২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ৬টি পৃথক মামলা নথিভুক্ত করেছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার আসামিরা হলেন — মেসার্স আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের মালিক রুহুল আমিন, মেরিট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী ও এমডি শাহানা ফেরদৌস, সাদিয়া ইন্টারন্যাশনালের মালিক শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান, ইমপেরিয়াল রিসোর্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসাইন ও এমডি মো. বদরুদ্দৌজা চৌধুরী, আরআরসি হিউম্যান রিসোর্স সার্ভিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান ও এমডি মো. আলমগীর কবীর, থানেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সাবেক এমডি আব্দুল্লাহ শাহেদ এবং পরিচালকরা মো. জয়নাল আবেদীন ও শামেসের আহমেদ।

    দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শ্রমিকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে পাঁচগুণ পর্যন্ত বাড়তি অর্থ আদায় করেছেন। তারা বিএমইটি ও বায়রা’র নিবন্ধন শর্ত ভঙ্গ করে অবৈধভাবে শ্রমিক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

    তাদের অভিযোগ রয়েছে, শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি সংগ্রহ করা হয়েছে পাসপোর্ট প্রক্রিয়া, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও অন্যান্য খরচের নামে। এরপর সেই অর্থ অবৈধভাবে বিদেশে স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়।

    আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০(বি)/১৬১/১৬২/১৬৩/১৬৪/১৬৫(ক)/৪২০/৪০৯/১০৯ ধারাসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা আনা হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন