রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৮ ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • দুই দফা মেয়াদ বাড়িয়েও অসম্পূর্ণ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভবন

    দুই দফা মেয়াদ বাড়িয়েও অসম্পূর্ণ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভবন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) এখনও সম্পন্ন হয়নি শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র ‘টিএসসি’। প্রায় চার বছর আগে নির্মাণকাজ শুরু হলেও নানা অজুহাতে এখনো প্রকল্পটি শেষ হয়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রমগুলো ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে হচ্ছে।

    শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চা, ক্লাব কার্যক্রম, বিতর্ক, নাটক ও সাহিত্যচর্চার কেন্দ্র হিসেবে ২০২২ সালে টিএসসি ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্প অনুযায়ী দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভবনটি এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়।

    প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল দুই বছর। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে আরও দেড় বছর সময় দেওয়া হয়। এরপরও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হওয়ার বিষয়ে সংশয় রয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও এখনও প্রায় ৩০–৩৫ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে।

    নির্মাণকাজের ধীরগতির কারণে অডিটোরিয়াম, সাংস্কৃতিক মঞ্চ, ডিবেট কর্নার, ক্লাব অফিস, স্টুডেন্ট লাউঞ্জ ও ক্যাফেটেরিয়ার মতো প্রয়োজনীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হচ্ছে সীমিত পরিসরে ও বিকল্প স্থানে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ ক্লাবের সভাপতি মোঃ খালিদ আহমেদ সাইফুল্লাহ সাদ বলেন, “টিএসসি যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধুমাত্র ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলোর নয়, সচেতন প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্যই প্রয়োজন। কিন্তু পূর্ববর্তী প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে আমরা অনেক প্রতিবন্ধকতা দেখেছি। বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার্থীবান্ধব অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাই আশা করছি তারা টিএসসির কার্যক্রমেও যথাযথ নজর দেবেন।”

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী শাহিদুল ইসলাম সবুজ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও টিএসসি না পাওয়া আমাদের জন্য দুঃখজনক। টিএসসি ছাড়া শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মুক্তচিন্তার বিকাশ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।”

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী সৈয়দ মোফাছিরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকবার ডিজাইনের পরিবর্তন ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে কাজ ধীরগতিতে চলছে। সামনে আরও সময় বাড়ানো হবে এবং আমরা আশা করছি আগামী বছরের জুন-জুলাইয়ের মধ্যে প্রকল্পটি সম্পন্ন হবে।”

    শিক্ষার্থীদের দাবি , টিএসসির নির্মাণকাজ দ্রুত সময়ে শেষ করা হোক। তারা বলছেন, টিএসসি শুধু একটি ভবন নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কার্যক্রমের প্রাণকেন্দ্র। দীর্ঘ বিলম্বের কারণে শিক্ষাজীবনের মান ও সৃজনশীলতার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন