ভোলায় ৫০ ইউনিটের বিদ্যুতের ৬২ হাজার টাকা বিল, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ভোলার সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের মাত্র ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও ৬২ হাজার ৮১৬ টাকার বিল পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী জানান, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল খুবই অনিয়মিত এবং বিল প্রদান করেছি হঠাৎ অস্বাভাবিক এ বিল পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি পরানগঞ্জ জোনাল অফিসে জানান। একাধিকবার অডিট করলেও কর্তৃপক্ষ কোনও সমাধান দিতে পারেনি। বরং বিল পরিশোধে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। সেখানে অংশগ্রহণকারী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর পক্ষে এ ধরনের অস্বাভাবিক বিল পরিশোধ করা অসম্ভব। তারা এই ঘটনাকে অন্যায় হিসেবে আখ্যা দিয়ে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব নির্ধারণের দাবি জানান।
স্থানীয়রা আরও জানান, এটি নিছক ভুল নয়, বরং প্রশাসনিক গাফিলতির ফল। একজন নিরীহ গ্রাহকের কাঁধে ভুতুড়ে বিল চাপিয়ে দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ,পরানগঞ্জ জোনাল অফিস ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রাজীব চন্দ্র ভৌমিক বিষয়টি দুঃখজনক বলে স্বীকার করলেও গণমাধ্যমের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি জানান, যা বলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলবেন।
এ বিষয়ে ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো সদুত্তর দেননি। তিনি বললেন যে এটি মন্ত্রণালয় দেখবেন ।
স্থানীয় জনগণ এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জেলা প্রশাসকের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা আরও অনেক গ্রাহকের সঙ্গেই ঘটতে পারে, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়।