বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পাকিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে ভারতের প্রকাশ্য অসন্তোষ কালকিনির বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটির তালিকা ও গঠনতন্ত্র প্রদান সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে ইসি ডেঙ্গু শনাক্তে বাংলাদেশকে ৫ লাখ পরীক্ষার কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত নেবে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি মিরপুরে সংঘর্ষ-গাড়িতে আগুন, চার মামলায় আসামি প্রায় ১ হাজার
  • বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ সংযোগে আমদানি বাড়াল বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ সংযোগে আমদানি বাড়াল বাংলাদেশ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশ বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে আমদানি বাড়িয়েছে এবং নিজস্ব তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদনও জোরদার করেছে। মূলত ক্রমবর্ধমান ব্যবহার সামাল দিতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া গ্যাস সরবরাহে সীমাবদ্ধতা এবং কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের কারণে এই পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিল্প কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা।

    বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশে ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি ৭০ শতাংশ বেড়েছে। এই বিদ্যুতের বেশিরভাগই এসেছে আদানি পাওয়ারের একটি কয়লা-চালিত কেন্দ্র থেকে।

    বাংলাদেশ আগে বিদ্যুতের জন্য গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ২০২০ সাল পর্যন্ত চাহিদার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রাকৃতিক গ্যাস থেকেই আসত। কিন্তু গ্যাসের অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং খরচ কমানোর জন্য বাংলাদেশ এখন বিদ্যুৎ আমদানি এবং স্থানীয় কয়লা-ভিত্তিক উৎপাদন বাড়াচ্ছে।

    সামিট পাওয়ারের পরিচালক আদিবা আজিজ খান বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেছেন, “এটি ব্যয়-সাশ্রয়ের বিষয়। গ্যাস সার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয়। অন্যদিকে তেলসহ অন্যান্য উৎস থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।”

    এপেক সম্মেলনের ফাঁকে তিনি আরও বলেন, “বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত গ্যাস নেই। এছাড়া সরবরাহ ব্যবস্থায়ও সমস্যা আছে। ভবিষ্যতে গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন আর নাও দেখা যেতে পারে।”

    বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) এক কর্মকর্তা নাম গোপন রেখে বলেছেন, “গ্যাসের চাপ কম থাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় চলছে না। অন্যদিকে, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কয়লা-চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমে গেছে।”

    ওই কর্মকর্তা বলেন, “সরকারের হাতে খুব বেশি বিকল্প ছিল না। লোডশেডিং এড়াতে সরকার আমদানি শুরু করে এবং চাহিদা মেটাতে আদানির বিদ্যুৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে মিলছিল।”

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্রথম সাত মাসে বিদ্যুৎ আমদানি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে, জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ হয়েছে।

    ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের বাংলাদেশভিত্তিক বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, “মার্চ মাস থেকে যখন বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে শুরু করে, তখন সরকারকে আমদানি এবং তেল-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হয়েছে।”

    এদিকে বিশ্লেষণ সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি ২৪ শতাংশ বাড়িয়েছে। তবে এই সময় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। যার অর্থ আমদানিকৃত গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে খুব বেশি কাজে লাগানো হয়নি।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন