শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • বিক্ষোভের মধ্যেই দায়িত্ব গ্রহণ ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রীর

    বিক্ষোভের মধ্যেই দায়িত্ব গ্রহণ ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রীর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নতুন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু ফ্রান্সজুড়ে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে শপথ নিলেন। তিনি জানিয়েছেন, ঋণের চাপ কমানোর জন্য কার্যকর বাজেট তৈরি করতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সৃজনশীলভাবে কাজ করবেন। খবর দিয়েছে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

    বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে লেকোর্নু বলেন, বিরোধী দলের সঙ্গে কাজ করতে হলে সরকারকে আরও বেশি সৃজনশীল, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তরিক হতে হবে। তবে অনেক কিছু নতুন করে গড়ার দরকার হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে পরিচিত লেকোর্নুর দিক থেকে প্রেসিডেন্টের বাণিজ্যমুখী অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় বাগড়া দেওয়ার সম্ভাবনা কম। এ দিয়ে গত দু বছরে পঞ্চমবারের মতো ফ্রান্সে সরকারপ্রধান পরিবর্তন হলো। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লেকোর্নু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করবেন ফ্রাঁসোয়া বাইরুকে, যিনি বাজেট কাটছাঁট নিয়ে বিতর্কের জেরে পার্লামেন্টের অনাস্থা ভোটে সোমবার ক্ষমতাচ্যুত হন।

    লেকোর্নুর তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ হলো ২০২৬ সালের বাজেট পার্লামেন্টে অনুমোদন করানো। ফরাসি পার্লামেন্ট এখন তিনটি মতাদর্শভিত্তিক শিবিরে বিভক্ত। বাজেট ঘাটতি কমানোর বিষয়ে একমত হলেও প্রক্রিয়া নিয়ে গ্রুপগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে লেকোর্নুকে বাজেটের পূর্ণ খসড়া পার্লামেন্টে পাঠাতে হবে, যদিও ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত কিছুটা সময়সীমা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এরপর এ বছরের মধ্যে বাজেট অনুমোদন সম্ভব হবে না।

    ২০২৪ সালে ফ্রান্সের ঘাটতি জিডিপির ৫ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

    এদিকে, লেকোর্নুর নিয়োগ নিয়েই চ্যালেঞ্জ ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে। বামপন্থিরা ঘোষণা করেছে, তারা তাৎক্ষণিক অনাস্থা প্রস্তাব আনবে। অন্যদিকে, কট্টর-ডানপন্থী ন্যাশনাল র‌্যালি (আরএন) দল ইঙ্গিত দিয়েছে, তাদের বাজেট সংক্রান্ত দাবিগুলো পূরণ হলে তারা সহযোগিতা করতে পারে।

    আরএন ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় পার্লামেন্টারি দল এবং যে কোনও অনাস্থা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে নির্ণায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

    বাজেট পাশের আরেকটি এবং জটিলতর সমস্যা হলো সমাজতন্ত্রীদের (যারা ধনীদের ওপর কর আরোপ ও বাজেট কাটছাঁট কমাতে চায়) সঙ্গে সাবেক দল রিপাবলিকানদের (যারা কর বৃদ্ধি কঠোরভাবে বিরোধিতা করে) ঐক্যবদ্ধ করা।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন