রাধাকৃষ্ণন ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি, সামনে সম্ভাব্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

ভারতের নতুন উপরাষ্ট্রপতি (ভিপি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সি. পি. রাধাকৃষ্ণন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি বিরোধী প্রার্থী এবং সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি বি. সুদর্শন রেড্ডিকে পরাজিত করেন।
উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটিং পার্লামেন্টের দুই কক্ষের সদস্যদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে রাধাকৃষ্ণনের জয় তাকে ভারতের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
দীর্ঘদিনের আরএসএস ঘনিষ্ঠ এই রাধাকৃষ্ণন বিধায়ক এবং ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই জয় এনডিএ জোটের জন্য বড় একটি সাফল্য, বিশেষ করে জুলাই মাসে সাবেক উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের বিতর্কিত পদত্যাগের পর। এসব উঠে এসেছে হিন্দুস্তান টাইমসের সম্পাদকীয়তে।
সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চকক্ষ (রাজ্যসভা) নানা কারণে আলোচনায় এসেছে—বারবার অধিবেশন ভঙ্গ হওয়া, বিরোধীদের অভিযোগ, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং গণহারে সদস্য বরখাস্তের ঘটনায়। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন ভিপি হিসেবে রাধাকৃষ্ণনের দায়িত্ব হবে রাজ্যসভাকে তার প্রকৃত উদ্দেশ্যে ফিরিয়ে আনা-রাজ্যগুলোর কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করা,লোকসভার তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তের যুক্তিসঙ্গত পর্যালোচনা করা,এবং গঠনমূলক আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি করা।
ভারতের সংসদীয় রাজনীতিতে বর্তমানে যে উত্তেজনা ও বিভাজন দেখা যাচ্ছে, সেখানে রাধাকৃষ্ণনের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে সংলাপ ও ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তার অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক পরিমিতিবোধ হয়তো এই সংকট উত্তরণের পথ খুলে দিতে পারে।