মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • কালকিনি ইউএনও -এর সঙ্গে ফ্রেন্ডশীপ ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৯৮ ভুল হাতে এআই গেলে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে: বিল গেটস ভারতের চার রাজ্যে টানা বর্ষণ, উত্তরপ্রদেশে ১৭ জনের মৃত্যু রাড্ডা হাসপাতাল পুনর্নির্মাণে ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা শফিকুর রহমানের সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারল বাংলাদেশ কাউকে সন্তুষ্ট করতে নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী বোয়িং কেনা হবে: হুমায়ুন কবির বিশ্ব শিক্ষক দিবসে জাতীয় সম্মাননা পাবেন ১০০ গুণী শিক্ষক সাংবাদিক গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে একমত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সন্তান আছে, তবুও পাশে নেই কেউ, সদর  হাসপাতালে অসহায় ৭০ বছরের ‘ফুলি’
  • অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হত্যার পরিসংখ্যান বাড়ার আসল চিত্র প্রকাশ

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হত্যার পরিসংখ্যান বাড়ার আসল চিত্র প্রকাশ
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সাম্প্রতিক অপরাধ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হত্যার সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে হলেও এর মূল কারণ নতুন অপরাধ বৃদ্ধি নয়। দীর্ঘদিন রেকর্ডবিহীন থাকা ও দমনকৃত বহু হত্যার ঘটনা পুনঃনথিভুক্ত হওয়ায় এই চিত্র সামনে এসেছে।

    অন্যদিকে দাঙ্গা, চুরি ও ডাকাতির মতো অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে মঙ্গলবার (০৯ সেপ্টেম্বর) জানানো হয়েছে, গত ১৩ মাসে অন্তত এক হাজার ১৩০টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

    এর বড় অংশ শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত হলেও সে সময় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল ও পুলিশের অনীহার কারণে মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেসব মামলার রেকর্ড উন্মুক্ত হয়েছে। ফলে হত্যার পরিসংখ্যান তুলনামূলক বেশি দেখালেও তা আসলে দীর্ঘদিনের চাপা পড়া অপরাধের হিসাব।

    অপরদিকে, অন্যান্য অপরাধের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

    ডাকাতি: ২০২৪ সালের ১ হাজার ৪০৫ থেকে ২০২৫ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১৪-এ।

    আইনশৃঙ্খলা ব্যাহতকরণ (দ্রুত বিচার) আইন: ২০২৪ সালের ১ হাজার ২২৬ থেকে ২০২৫ সালে নেমে এসেছে ৬৫১-এ।

    দাঙ্গা: ২০২৪ সালের ১২৫ থেকে ২০২৫ সালে ৫৯-এ নেমেছে।

    চুরি: ২০২৪ সালের ৮ হাজার ৬৫২ থেকে ২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৬ হাজার ৩৫৪-এ দাঁড়িয়েছে।

    প্রেস উইংয়ের পাঠানো পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, অপরাধের পরিসংখ্যানের এই পরিবর্তন একদিকে দীর্ঘদিন দমনকৃত মামলার উন্মোচনকে নির্দেশ করছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সামগ্রিক উন্নতির প্রতিফলনও ঘটাচ্ছে। পূর্বে রাজনৈতিক দমনপীড়ন ও ভয়ের পরিবেশ থাকায় অনেক ভুক্তভোগী মামলা করতে পারতেন না এবং পুলিশের পক্ষ থেকেও নিরুৎসাহিত করা হতো। বর্তমানে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। নাগরিকরা ভয়ভীতিমুক্তভাবে মামলা দায়ের করতে পারছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    ফলে একদিকে পুরনো অপরাধের রেকর্ড যোগ হওয়ায় হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের সংখ্যা বেশি মনে হলেও চুরি, ডাকাতি ও দাঙ্গার মতো অপরাধ কমে যাওয়া সমাজে নিরাপত্তাবোধ জোরদার করেছে। সামগ্রিকভাবে এ পরিবর্তন দেশে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিচ্ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন