দশমিনায় সড়কের দু’পাশে লাউ চাষ

লাউয়ের বাম্পার ফলনে মুখে হাসি ফুটেছে কৃষক মো. আবু ইউসুফের। সড়কের দুই পাশে পতিত জমিতে ১৬ হাজার টাকা খরচ করে তৈরি করেছে লাউয়ের খেত। আর এ খেত থেকে মাত্র একমাসে আয় করেছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। খেতে এখনো ঝুলছে দেড় হাজারের অধিক ছোট-বড় লাউ।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামে আবু ইউসুফ এর লাউয়ের খেতটি অবস্থিত। কুমড়াজাতীয় ফসলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দশমিনার সহযোগিতায় ডায়না জাতের বীজ থেকে চারা তৈরি করে আবু ইউসুফ। লাউয়ের চারা লাগিয়ে সাথে ব্যবহার করছে ভারমি কম্পোস্ট, টিএসপি ও এমওপি সার। মাসখানেক পরিচর্যা করে পেয়েছেন কাক্সিক্ষত সাফল্য।
লাউয়ের খেত দেখতে আসা জাকির হোসেন বলেন, ‘ইউসুফ ভাইয়ের লাউয়ের খেত দেখলে সবারই ইচ্ছে করবে লাউয়ের চাষ করার। তিনি একজন আধুনিক মানের আদর্শ কৃষক।’
লাউ চাষ নিয়ে আবু ইউসুফ বলেন, সড়কের দুই পাশে লাউ চাষ করেছি প্রথম। এতে ব্যায় কম লাভ বেশি। আমার এ খেতে বর্তমানে ছোট-বড় দেড় হাজারের অধিক লাউ রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছি। পাইকাররা পর্যায়ক্রমে খেতে থেকে লাউ কেটে নিতেছে।’
দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাফর আহম্মেদ বলেন, আবু ইউসুফ একজন আদর্শ কৃষক। আমি তাকে সবজি চাষের জন্য পরামর্শ দিয়েছিলাম। তাই সে এবার সড়কের দুই পাশে পতিত জমিতে লাউ চাষ করেছে। বর্তমানে লাউয়ের মাচায় বেশ লাউ ধরেছে। এটি দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও লাউ চাষের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমি আশা করছি এ সাফল্য দেখে এলাকায় লাউ চাষের সম্প্রসারণ ঘটবে।’
তিনি আরো বলেন, এ লাউয়ের খেত তৈরি করতে কৃষি অফিস থেকে যত সহযোগিতার দরকার ছিল আমরা তা করেছি।’