রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উপ-শাখায় আমানত বেড়েছে, কমেছে ঋণ বিতরণ গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংকের সামনে চাকরি ফেরতের দাবিতে অবস্থান, গ্রাহকদের পাল্টা কর্মসূচি সংকট মোকাবিলায় সরকারের অদক্ষতা স্পষ্ট: হামিদুর রহমান স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: জুবাইদা রহমান গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করতে হবে সাইবার বুলিং বিষয়ে আইআরআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক তিশার লাজুক হাসি নজর কাড়ল ভক্তদের ঘুপচি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, সৎ সাহস থাকলে আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা: ১০ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
  • "আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড সৈয়দপুর, বিপর্যস্ত জনজীবন"

    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মৌসুমের ঝড় ও প্রবল বৃষ্টিপাতে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার বিকাল সাড়ে ৫ টার পর শুরু হওয়া ঝড় ও টানা বৃষ্টিতে উঠতি বোরো ধান, ভুট্টার, কাচা মরিচসহ অন্যাম্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকানপাট লন্ডভন্ড হয়েছে। এছাড়া শহর ও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে দোকানের চালা উড়ে গিয়ে বৈদ্যুতিক তারে আটকে পড়েছে।

    সৈয়দপুর বিমানবন্দরের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম জানান, গতকাল রোববার সকাল ৬ টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত সৈয়দপুর ও এর আশেপাশের এলাকায় গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১২৮ মিলিমিটার। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার। 

    তিনি আরও বলেন, আজ সোমবার ও আগামী মঙ্গলবারও ঝড়ো বাতাস ও বজ্রসহবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    খোজ নিয়ে জানা গেছে, ঝড় ও বৃষ্টিপাতে সৈয়দপুর পৌর এলাকাসহ উপজেলার কামারপুকুর, কাশিরাম বেলপুকুর, খাতামধুপুর, বাঙ্গালীপুর, বোতলাগাড়ি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বোরো ধান ও ভুট্টা ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে বা নেতিয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় কাটা ধানের জমিতে পানি জমে যাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    সৈয়দপুর শহরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় ঝড়ে কয়েকটি দোকানের চালা উড়ে গিয়ে বৈদ্যুতিক তারে আটকে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটে।উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিউনের কৃষক হাসান আলী বলেন, এবার দুই বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছি। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই ধান কাটা-মাড়াই শুরু হওয়ার কথা ছিল, তার আগেই এমন দুর্যোগ আমার কষ্টের ফসল শেষ হয়ে গেল।

    এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে ইতিমিধ্যে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা কাজ শুরু করেছেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি বলেই মনে হচ্ছে।

    এ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সৈয়দপুর পৌরসভার প্রশাসক নূর-ই-আলম সিদ্দিকীর সাথে। তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


    নাজমুল হুদা, নীলফামারী প্রতিনিধি 
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন