বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj

আল্লাহর কাছে তিনটি বিশেষ নিয়ামত চেয়েছিলেন সুলাইমান (আ.)

আল্লাহর কাছে তিনটি বিশেষ নিয়ামত চেয়েছিলেন সুলাইমান (আ.)
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

হজরত সুলাইমান (আ.) ছিলেন আল্লাহর মনোনীত একজন নবী এবং হজরত দাউদ (আ.)-এর পুত্র। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নবুয়ত দান করেছিলেন। পাশাপাশি তাঁকে এমন অসাধারণ রাজত্বের অধিকারী করেছিলেন, যা ছিল স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। পিতার মৃত্যুর পর তিনি তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন।

ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত সুলাইমান (আ.)-এর রাজত্ব ছিল অত্যন্ত বিস্তৃত। আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে তিনি মানুষ, জিন ও বিভিন্ন প্রাণীর ওপর কর্তৃত্ব লাভ করেছিলেন। তাঁর জীবন ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে পবিত্র কোরআনে বিভিন্ন ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

হজরত সুলাইমান (আ.)-এর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো বায়তুল মাকদিস নির্মাণের পর আল্লাহর কাছে তিনটি বিশেষ বিষয় প্রার্থনা করা। তাঁর সেই দোয়ার কথা হাদিসে উঠে এসেছে।

হজরত আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সুলাইমান ইবনে দাউদ (আ.) যখন বায়তুল মাকদিস নির্মাণ করেন, তখন তিনি আল্লাহ তায়ালার কাছে তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেন।

প্রথমত, তিনি এমন বিচারক্ষমতা চেয়েছিলেন, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আল্লাহ তাঁকে সেই প্রার্থনা মঞ্জুর করেন।

দ্বিতীয়ত, তিনি এমন রাজত্ব কামনা করেছিলেন, যা তাঁর পরে আর কেউ লাভ করবে না। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সেই বিশেষ রাজত্বও দান করেন।

তৃতীয়ত, বায়তুল মাকদিস নির্মাণ শেষ করার পর তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, যে ব্যক্তি সেখানে নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে আসবে, তাকে যেন গুনাহ থেকে এমনভাবে পবিত্র করে দেওয়া হয়, যেভাবে সে মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়ার দিন নিষ্পাপ ছিল।

হাদিসে বর্ণিত এই দোয়া থেকে বায়তুল মাকদিসের মর্যাদা এবং সেখানে ইবাদতের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। একই সঙ্গে হজরত সুলাইমান (আ.)-এর আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও তাঁর কাছে বিশেষ অনুগ্রহ প্রার্থনার বিষয়টিও স্পষ্ট হয়।

সূত্র: সুনানে আন-নাসায়ি, হাদিস নম্বর ৬৯৩।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন