বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সবজি-শুঁটকিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যানের জামানত ২৫ হাজার, সদস্যের ৫ হাজার টাকা আইন ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের মতবিনিময় বাংলাদেশ-চীনের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষায় সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যয় নঈম নিজাম ও ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা অনুমোদন হামের উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১,২৭০ কপ-৩১ ঘিরে বাংলাদেশের প্রস্তুতি জোরদার নিউইয়র্কে মেলানিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জুবাইদা রহমান যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্তসহ আটক ৫ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও গঠনমূলক করতে চায় দিল্লি: জয়সওয়াল
  • সবজি-শুঁটকিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক

    সবজি-শুঁটকিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশে নির্ধারিত মাত্রার তুলনায় সবজিতে ১০ শতাংশ, ফলে ৪ শতাংশ, খেজুরে ৫ শতাংশ এবং শুঁটকি মাছে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে একদিকে যেমন খাদ্যপণ্যে এর অবশিষ্টাংশের ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে উপকারী পোকামাকড়ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরেন কীটতত্ত্ববিদ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) পরিচালক ড. নির্মল কুমার দত্ত।

    তিনি বলেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে কীটনাশকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে অনেক ক্ষতিকর পোকামাকড় রাসায়নিক কীটনাশকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। একই পোকা দমনে তখন আরও বেশি মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হচ্ছে।

    ড. নির্মল কুমার দত্ত বলেন, অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে ক্ষতিকর পোকার পাশাপাশি উপকারী পোকামাকড়ও মারা যাচ্ছে। এতে প্রাকৃতিকভাবে ক্ষতিকর পোকা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং এসব পোকার প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।

    তিনি জানান, ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশে নতুন করে ২৫টির বেশি ক্ষতিকর পোকার আগমন ঘটেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাসায়নিক কীটনাশকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    কর্মশালায় ড. নির্মল কুমার দত্ত আরও জানান, দেশে প্রায় আট হাজার ধরনের কীটনাশক অনুমোদিত রয়েছে। এর মধ্যে যাচাই করে মাত্র ৪৭ শতাংশ কীটনাশক শতভাগ বিশুদ্ধ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

    সিটি ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার শরিফুল ইসলাম বলেন, পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে বালাইনাশক ব্যবহার করা হলেও নকল বালাইনাশক ব্যবহারের কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। বরং কিছু ক্ষেত্রে পোকামাকড় দমন না হয়ে তাদের বংশবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

    বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবা জাহান বলেন, জৈব বালাইনাশকের অনেক উপাদান প্রকৃতিতেই রয়েছে। তাই কৃষিতে উপকারী পোকামাকড়ের ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে তাদের সংরক্ষণে গুরুত্ব দিতে হবে।

    কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন বিএআরসির পরিচালক ড. মো. মাহফুজ আলম ও প্রধান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আল মোবাচ্ছের হোসেন। এ সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. নিজামুল হক, সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাইফুল মাসুমসহ কৃষি বিটের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন