সারের চাহিদার চেয়ে ১৫ লাখ ৮৪ হাজার টন বেশি সরবরাহ প্রস্তুত

রবি ও বোরো মৌসুমে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাহিদার তুলনায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি সার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা-ভিত্তিক চাহিদার বিপরীতে শতভাগ সার বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং অধিশাখার ১৪ সেপ্টেম্বরের নথি অনুযায়ী, দেশে সারের মোট চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন। এর বিপরীতে প্রস্তুত সরবরাহ রয়েছে ৫১ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন।
নথি অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর মাসে ৬৪ জেলার জন্য টিএসপি সারের চাহিদা ৭০ হাজার ৫২ টন এবং পুরো পরিমাণই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ডিএপির চাহিদা ১ লাখ ৫০ হাজার ৯১০ টন এবং এমওপির চাহিদা ৯৩ হাজার ৬৫৪ টন। এই দুই ধরনের সারেও চাহিদার সমপরিমাণ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।
সার সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি বেলারুশ থেকে ৩০ হাজার টন এমওপি, মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি এবং সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার টন ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন দিয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া ৪ লাখ ১৮ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৪৩ হাজার টন, ডিএপি ৩ লাখ ২ হাজার টন এবং এমওপি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯০০ টন মজুত ছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সার পরিবহনের পথেও রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, সার ব্যবস্থাপনায় চাহিদাভিত্তিক পরিকল্পনা ও আগাম প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোথাও সরবরাহে সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান বলেন, কৃষকের প্রয়োজনের সময় সার নিশ্চিত করতে আগাম ও সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অক্টোবরের জন্য টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের চাহিদার বিপরীতে শতভাগ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। সার সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে দেওয়া হবে না।