বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • চীন–মিয়ানমার বৈঠকে নিরাপত্তা ও উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদার গণমাধ্যম কমিশন গঠনে অগ্রসর হচ্ছে সরকার ইংলিশ চ্যানেলে রুশ যুদ্ধজাহাজের গুলি, উদ্বেগ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হাম সন্দেহে ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ও শনাক্ত রোগী বেড়েছে স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কৃষিখাত হবে উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে ভয়ংকর এল নিনোর সতর্কতা ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই শুরু হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থার বড় সংস্কার: শিক্ষামন্ত্রী মুন্সিগঞ্জে পুলিশ গুলির ঘটনায় শ্যামলকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে অর্থ পাচার, সহ্য করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী
  • বিশ্বজুড়ে ভয়ংকর এল নিনোর সতর্কতা

    বিশ্বজুড়ে ভয়ংকর এল নিনোর সতর্কতা
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বিশ্বজুড়ে জলবায়ুর বড় পরিবর্তন আনার সক্ষমতা রাখা আবহাওয়াগত ঘটনা এল নিনো আবার সক্রিয় হয়েছে। গত ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) নতুন এল নিনোর সূচনার ঘোষণা দেয়। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এবারের এল নিনো অতীতের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হতে পারে, যা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করবে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি গত ৭৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে। এর প্রভাবে কোথাও তীব্র খরা, কোথাও অতিবৃষ্টি ও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে। আফ্রিকা, মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং এশিয়ার কিছু অংশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

    এল নিনো মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্টি হয়। এর কারণে বৈশ্বিক বায়ুপ্রবাহ ও আবহাওয়ার ধরনে বড় পরিবর্তন ঘটে।

    বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবারের এল নিনোতে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী গড়ের তুলনায় ২.৫ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এর আগে ১৯৮২-৮৩ সালের এল নিনো ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী, যা এবারের ঘটনায় ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে এল নিনোর প্রভাব আরও তীব্র হয়ে ওঠে। অতীতেও দেখা গেছে, শক্তিশালী এল নিনোর পরবর্তী বছরগুলো বিশ্বে রেকর্ড উষ্ণতা সৃষ্টি করেছে।

    জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সতর্ক করেছে যে, দক্ষিণ আফ্রিকা, সাহেল অঞ্চলসহ অনেক এলাকা খরা ও বন্যার দ্বৈত ঝুঁকিতে রয়েছে। শুকনো মাটিতে হঠাৎ ভারী বৃষ্টিপাত হলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা বাড়ে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান বৈশ্বিক সংকটের মধ্যে শক্তিশালী এল নিনো খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদনে বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে অনেক দেশে মানবিক সংকট আরও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

    প্রভাব পুরোপুরি ঠেকানো না গেলেও আগাম প্রস্তুতি, পানি সংরক্ষণ, খরাসহিষ্ণু কৃষি ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্ষতি কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


    সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন