মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হেপাটাইটিসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান
  • হাট কাঁপাতে আসছে ১২০০ কেজির “দিনাজপুরের মহারাজা”, দাম ২০ লাখ

    হাট কাঁপাতে আসছে ১২০০ কেজির “দিনাজপুরের মহারাজা”, দাম ২০ লাখ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খানপুর দক্ষিণ শাহবাজপুর গ্রামে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিশাল আকৃতির একটি ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘দিনাজপুরের মহারাজা’।

    প্রায় পাঁচ বছর বয়সী এই ষাঁড়টির ওজন প্রায় ১ হাজার ২০০ কেজি (প্রায় ৩০ মণ)। আকারে বড় হওয়ায় এটিকে দেখতে অনেকটা হাতির মতো বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করছেন। ঈদকে কেন্দ্র করে এর দাম ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হাঁকানো হচ্ছে।

    মহারাজার মালিক লুৎফর রহমান একজন পেশাদার চালক। হিলি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বিরামপুর উপজেলার খানপুর এলাকায় তিনি বসবাস করেন। তিনি জানান, জন্মের পর থেকেই বাছুরটি অন্যগুলোর তুলনায় আলাদা ছিল। পরম যত্নে লালন-পালনের ফলে এটি ধীরে ধীরে বিশাল আকার ধারণ করে।

    লুৎফর রহমান বলেন, “অনেক যত্নে বড় করেছি, এখন এটি আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে গেছে।”

    তিনি আরও জানান, মহারাজার খাদ্যতালিকা বেশ সমৃদ্ধ। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ধরনের খাবার দেওয়া হয়, যার মধ্যে থাকে দানাদার খাদ্য, কলা, আপেল, মালটা, তাজা ঘাস ও খড়। এতে দৈনিক প্রায় ২ হাজার টাকা ব্যয় হয়। গত পাঁচ বছরে মোট খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকায়।

    তার ছেলে রিয়াজুল ইসলাম বাবু বলেন, “মহারাজ শুধু একটি গরু নয়, আমাদের পরিবারের সন্তানের মতো। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও ভালোবাসার ফলেই আজ এটি এত বড় হয়েছে।”

    স্থানীয়দের মধ্যে এই বিশাল ষাঁড়টিকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন আশপাশের গ্রাম থেকে শত শত মানুষ এটি দেখতে ভিড় করছেন। অনেকেই এর সঙ্গে ছবি ও সেলফি তুলছেন।

    বিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার চক্রবর্তী জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়টি জেলার অন্যতম বড় গরু হিসেবে পরিচিত। খামারিকে প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তাদের বড় পরিসরে খামার গড়তে পরামর্শ ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন