বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হামজা-শমিতকে ছাড়াই আসিয়ান কাপের দল ঘোষণা বিশ্বজুড়ে সব ধরনের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন শুধু বিরোধিতা নয়, সরকারের ভুলও ধরিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: শাহে আলম আরও পাঁচ দিন বৃষ্টিতে ভিজতে পারে সারাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের চাপেও নতি স্বীকার করবে না কিউবা ১০ মাসের বেশি কর্মস্থলে অনুপস্থিত, সিনিয়র সহকারী সচিব বরখাস্ত মহানবীর আদর্শেই শান্তি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়া সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় চালু হচ্ছে কোরিয়া ভিসা সেন্টার, বদলাচ্ছে আবেদন প্রক্রিয়া পুলিশসহ সব শৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণ শক্তিতে কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হতে পারে সামাজিক সংহতির কেন্দ্র: নাহিদ ইসলাম

    ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হতে পারে সামাজিক সংহতির কেন্দ্র: নাহিদ ইসলাম
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক ঐক্য। ধর্ম, মত ও বিশ্বাস ভিন্ন হলেও সবাইকে একসঙ্গে দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

    শুক্রবার (১ মে) রাতে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, একটি বৈষম্যহীন ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশাও একটি সমতাভিত্তিক ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠন করা।

    তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক সংহতি ও সম্প্রীতি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বৌদ্ধ ধর্ম ইতিহাসজুড়ে শিক্ষা ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, যা আমাদের ঐতিহ্যের অংশ।

    গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অহিংসা ও শান্তির যে বার্তা বুদ্ধ দিয়েছেন, তা আজকের বিশ্বেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বৈশ্বিক সংঘাত ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এই শিক্ষা মানবতার পথ দেখাতে পারে।

    স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়নে সরকারি সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও সহায়তা প্রয়োজন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন