শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • রাজশাহীতে তেলের ঘাটতি: পুলিশ পাহারায় তেল বিক্রি

    রাজশাহীতে তেলের ঘাটতি: পুলিশ পাহারায় তেল বিক্রি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের সাময়িক ঘাটতির কারণে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও তেল শেষ হওয়ায় পাম্প বন্ধ রাখা হচ্ছে, আবার কোথাও সীমিত পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে অনেক চালকের মধ্যে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে, তাই কিছু স্টেশনে পুলিশ পাহারায় তেল বিক্রি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    শনিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পবা উপজেলার বিমানবন্দরের সামনে অবস্থিত মেসার্স হাবিব ফিলিং স্টেশনে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি। তেলের মেশিনের ওপর সাদা কাগজে লাল কালি দিয়ে লেখা ছিল, সংকটজনিত কারণে মোটরসাইকেলকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা, মাহিন্দ্রাকে ২০০ টাকা, প্রাইভেট কারকে ১ হাজার টাকা এবং পিকআপকে ৩০০ টাকার তেল দেওয়া হবে।

    চালকরা অভিযোগ করেছেন, পাম্পে তেল মজুত থাকার পরও দীর্ঘ সময় কোনো যানবাহনকে সরবরাহ করা হয়নি। পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে গেলে একজন স্থানীয় ব্যক্তি এয়ারপোর্ট থানায় ফোন করলে পুলিশ টহল গাড়ি পাঠায়। পুলিশ পাম্পের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলার পর তেলের মেশিন চালু করা হয় এবং যানবাহনগুলোকে তেল দেওয়া শুরু হয়।

    রাজশাহী বিভাগে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলস্বরূপ বাইকার ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। মেসার্স আফরিন ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সোলাইমান কবির জানান, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং মানুষের আতঙ্কের কারণে চাহিদা স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে গেছে।

    তিনি আরও বলেন, ডিপোতেও সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি গাড়িতে তেল লোড হচ্ছে। দেশে কোনো তেলের ঘাটতি নেই, তবে হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধির কারণে সরবরাহে সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহীতে তেল পৌঁছাতে সময় লাগার কারণে ঘাটতি দ্রুত পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

    পাম্পে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার লিটার তেল বিক্রি হয়, কিন্তু বর্তমানে তা বেড়ে ১১ থেকে ১২ হাজার লিটারে পৌঁছেছে। শুক্রবার ও শনিবার ডিপো বন্ধ থাকার কারণে তেল শেষ হয়ে গেছে। তবে আগামী দিনে তেল সরবরাহ পেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন