শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • রাসিকের প্রশাসক পদে বুলবুলকে ফেরানোর দাবি

    রাসিকের প্রশাসক পদে বুলবুলকে ফেরানোর দাবি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে প্রশাসক হিসেবে দেখতে চান নগরবাসী। তাঁদের দাবি, অতীত অভিজ্ঞতা ও নগর উন্নয়নে নেওয়া উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হলে চলমান ও অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো নতুন গতি পাবে। যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতা হিসেবে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে মনে করেন সমর্থকরা।

    ​দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে বুলবুল প্রথমবার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নেন। সে সময় তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের সভাপতি ছিলেন। দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধ ও সাধারণ মানুষের সমর্থনে তিনি প্রার্থী হলেও তৎকালীন প্রতিকূল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জয়ী হতে পারেননি। সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম সারির অনেক নেতা কারাবন্দি থাকায় এবং নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে ফলাফল অনুকূলে আসেনি। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি নগরবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ অটুট রেখেছিলেন।

    ​পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনে ‘আনারস’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেন মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি আধুনিক রাজশাহীর রূপকার হিসেবে পরিচিত সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুর অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তাঁর মেয়াদকালে নগর অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার ও সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে তাঁর গৃহীত পরিকল্পনাগুলো সে সময় নগর ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এনেছিল।

    ​বুলবুলের সমর্থকদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি পূর্ণ মেয়াদ দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাননি। তাঁর বিরুদ্ধে সে সময় অর্ধশতাধিক মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৫ সালের ২ মার্চ তাঁর বাসভবনে পুলিশের অভিযান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এসব বাধা কাটিয়েও তিনি জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি করেন তাঁর অনুসারীরা।

    ​বুলবুলকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের দাবি জানিয়ে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি শাহানুর ইসলাম মিঠু বলেন, “বুলবুল ভাই একজন পরীক্ষিত নেতা। দলের দুঃসময়ে তিনি সবসময় পাশে ছিলেন। তিনি মেয়র থাকাকালে রাজশাহীতে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। যোগ্য নেতা হিসেবে আমরা তাঁকেই প্রশাসক হিসেবে চাই।” 

    এ বিষয়ে সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, “আমি জনগণের রাজনীতি করি। আমাদের নেতা তারেক রহমান যদি মনে করেন আমি যোগ্য, তবে তিনি যে দায়িত্ব দেবেন তা পালন করতে আমি সদা প্রস্তুত।”

    ​রাজনীতি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, রাজশাহীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে অভিজ্ঞ ও পরিচিত মুখ হিসেবে বুলবুলকে দায়িত্ব দেওয়া হলে নগরীর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আগামীর নেতৃত্ব। নগরবাসী এখন সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন