ফিফার পোস্টে উচ্ছ্বাস: বাংলাদেশ কি নতুন ফুটবল পরাশক্তি?

বিদেশে বেড়ে ওঠা প্রতিভাবান ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তির পর বদলে গেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল-এর চেহারা। হামজা চৌধুরীর পর সামিত সোম ও কিউবা মিচেলদের দলে ভেড়ানোয় শক্তি ও গভীরতা দুটোই বেড়েছে। মাঠের পারফরম্যান্সেও তার প্রভাব স্পষ্ট—দীর্ঘ ২২ বছর পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত জাতীয় ফুটবল দলকে হারিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরার অধীনে কৌশলগত শৃঙ্খলা, ফিটনেস ও আক্রমণভাগের ধার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। এএফসি এশিয়ান কাপে জায়গা না পেলেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল মানচিত্রে নিজেদের অবস্থান জোরালো করেছে দলটি।
এমন প্রেক্ষাপটে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশকে নিয়ে একটি পোস্ট দেয়। ফিফা বিশ্বকাপ-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দলের একটি ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে প্রশ্ন তোলা হয়—“দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি?”—সঙ্গে ছিল বাংলাদেশের পতাকার ইমোজি।
পোস্টটি ঘিরে ভক্তদের মাঝে তৈরি হয়েছে উচ্ছ্বাস ও বিতর্ক। অনেকে সরাসরি বাংলাদেশকেই দক্ষিণ এশিয়ার নতুন শক্তি হিসেবে দাবি করছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলেই কেবল এই স্বীকৃতি প্রাপ্য হবে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সাফল্যকে স্থায়ী রূপ দিতে হলে ঘরোয়া লিগের মানোন্নয়ন, বয়সভিত্তিক দল গঠন ও আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা বাড়ানো জরুরি। তবে ফিফার এমন পোস্ট নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ফুটবলের অগ্রযাত্রায় বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন সমর্থকরা।