সাকিব আল হাসানকে ঘিরে ফের জোরালো গুঞ্জন

গেল মাসেই সাকিব আল হাসান–এর জাতীয় দলে ফেরার বিষয়ে আলোচনা জোরালো হয়ে ওঠে। এরপর কয়েক সপ্তাহ ধরে বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে মৃদু আলোচনা চলছিল।
এরই মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই প্রেক্ষাপটে আবারও নতুন করে সামনে এসেছে সাকিবের জাতীয় দলে ফেরার বিষয়টি।
ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাঠের পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতার বিচারে সাকিব এখনও দেশের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ফলে আসন্ন আন্তর্জাতিক সিরিজ ও বড় টুর্নামেন্ট সামনে রেখে তাকে দলে ফেরানোর প্রশ্নটি গুরুত্ব পাচ্ছে।
তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। সবকিছু নির্ভর করছে নির্বাচক প্যানেল ও বোর্ডের অবস্থানের ওপর।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিকেট অঙ্গনেও নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে—এমন মন্তব্যও করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়, আলোচনার এই ঢেউ শেষ পর্যন্ত সাকিবের জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাস্তব রূপ পায় কি না।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেশ কয়েক মাস আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর টি স্পোর্টসকে সাকিবকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘সেটা (জাতীয় দলে খেলা) সাকিবের ফর্মের ওপর নির্ভর করবে। তখন সে ক্রিকেটে থাকবে কি না তার ওপর নির্ভর করবে। আমি কখনোই খেলাধুলার মধ্যে রাজনীতিকে আনতে চাইনি এবং বিশ্বাসও করি না। সুতরাং যে যোগ্য, সে অবশ্যই আসবে (খেলবে)।’
গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে বিসিবিও সাকিবকে জাতীয় দলে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়েছে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে পা রাখবেন সাকিব। সেরকম কিছু হলে পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে তাকে দেখার সম্ভাবনা তৈরি হয়। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে দুই দল ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সিরিজ খেলবে।
এদিকে, দেশে ফেরার বিষয়ে নিশ্চিত হতে যোগাযোগ করা হয় সাকিব আল হাসানের সঙ্গে। সংক্ষিপ্ত ক্ষুদে বার্তায় ঢাকা পোস্টকে সাকিব কেবল জানিয়েছেন, ২৮ তারিখ ফিরছেন না তিনি। গত বছর দেশে ফেরার কথা উঠলেও, মাঝপথেই তাকে থামতে হয়েছিল।