সতীর্থরা চান টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্তি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্রীড়াঙ্গনের নজর ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক-এর ওপর। ভোট গণনার পর দেখা গেছে, তিনি নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন, যা পুরো ক্রীড়াঙ্গনকে বিস্মিত করেছে।
আমিনুলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সাবেক গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্য্য বলেন, “আমিনুলের হার মেনে নেওয়া কঠিন। খেলোয়াড় হিসেবে যেমন তিনি পরিচিত, রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও অত্যন্ত ত্যাগী। এর পরও তিনি পরাজিত হয়েছেন, এটা বিশ্বাস করা যায় না।”
জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ও মোহামেডানের ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ নকীবও বলেন, “দলের প্রতি তার নিবেদন ও মিরপুরের জনগণের প্রতি ভালোবাসা বিবেচনায়, আমিনুলের হার অবিশ্বাস্য।”
উপমহাদেশের দাবায় প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ মন্তব্য করেন, “শুধু খেলোয়াড় বা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে নয়, রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও তিনি অত্যন্ত যোগ্য। দলের সিদ্ধান্তে তাকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।”
নিয়াজ ও বিপ্লবের মতো অনেকেই মনে করেন, আওয়ামী লীগের সরকারে না হলেও বিএনপি সরকার গঠিত হলে আমিনুল ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
ঢাকা-১৬ আসনে ভোট গণনায় দেখা গেছে, আব্দুল বাতেন দাড়িপাল্লা প্রতীকে ৮৬,৮২৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, আর আমিনুল হক ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪,২০৭ ভোট। পোস্টাল ভোটের কারণে ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আমিনুলের পরাজয় নিশ্চিত হয়েছে।
ভোটের হার ছিল ৪৬ শতাংশ, মোট ভোটার ৪ লাখ ৪৯৯ জনের মধ্যে ১ লাখ ৮৪,৫৬৩ জন ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনে ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বী অংশগ্রহণ করেছেন। ক্রীড়াঙ্গনের এই ফলাফলে হতাশা থাকলেও, সতীর্থরা এখনও তার দক্ষতা ও সততার প্রতি বিশ্বাস রাখছেন এবং সম্ভাব্য টেকনোক্রেট মন্ত্রিত্বে তার ভূমিকার প্রতি আশাবাদী।