পাঁচবিবিতে বাড়ছে শীতের প্রকোপ, দুর্ভোগে ছিন্নমুল মানুষেরা

দিন যতই যাচ্ছে ততই শীতের প্রকোপ বাড়ছে জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে। টানা তিনদিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না দুপুরের পরেও। আবারও বিকেল থেকে পড়া শুরু করছে কুয়াশার সাথে হিমেল হাওয়া।
কুয়াশা আর হিমেল হাওয়া বাড়িয়ে দিচ্ছে শীতের প্রকোপকে। তারপরেও প্রয়োজনের তাগিদে বাড়ি থেকে বের হতে হচ্ছে মানুষকে। ট্রেনসহ যানবাহন চলাচল করছে ধীরগতিতে। কুয়াশার কারণে জ্বালাতে হচ্ছে হেডলাইট। শীত উপেক্ষা করে মানুষ ছুটছে তাদের গন্তব্যে। ভির করছে ট্রেন ও স্টেশনসহ বাস ষ্টান্ডে। ব্যবসায়ীরা দোকান খুলে বসে থাকলেও মিলছে না কাঙ্খিত ক্রেতা। বেশি দুর্ভোগে পড়েছে বয়স্ক মানুষেরা।
মঠপাড়া গ্রামের কয়েজন শ্রমিক বলেন,গত শুক্রবার দুপুরের পর একটু সূর্য দেখা গেলেও শনিবার থেকে আজ সোমবার তিন ধরে সূয়ের দেখা নেই। সকালে তীব্র শীত আর কুয়াশার মধ্য কাজে আসি। একজনের আলু জমিতে দিন হাজিরা কাজ করতেছি। প্রতিদিন আমরা ৫০০-৬০০ টাকা করে পাই।
শীতের কারণে কাজ কাম তেমন হচ্ছে না।
টাক্টর চালকের একজন সহকারী জানান,বাড়ি থেকে কাজের সন্ধানে বের হয়েছি। কয়েক দিনের ঘণকুয়াশা আর হিমেল হাওয়া তিন ধরে সূয়ের দেখা নেই। তার সাথে হিমেল হাওয়া গাড়িতে বসে থাকা যায়না। খুব কষ্ট হয়।
টাক্টর চালক বলেন, জীবিকার তাগিদে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি। আমরা একদিন গাড়ী না চালালে বেতন পাইনা। আমরা টিপ হিসাবে বেতন পাই। যত বেশি টিপ মারতে পারি তত বেশি টাকা পাই। এক গাড়ী বালুর টিপ মারলে লেবার পায় ৪ শত থেকে ৫ শত টাকা আর আমি পাই ৬ শত টাকা। কয়েক দিন থেকে খুব কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাস তাই বেশি টিপ মারতে পারছি না। সারাদিনে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা ইনকাম হয়। কোন দিন আবার বসে থেকে দিন যায়।