বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • মান্দায় কাবিখা প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

    মান্দায় কাবিখা প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দায়সারা কাজ দেখিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দ চারটি প্রকল্পের মোট ৩০ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পগুলোর কাজ কাগজে-কলমে সম্পন্ন দেখিয়ে সংশ্লিষ্টরা ইতোমধ্যে পুরো চাল উত্তোলন করে নিয়েছেন। তবে সরেজমিনে গিয়ে প্রকল্প এলাকাগুলো ঘুরে কোথাও উল্লেখযোগ্য কোনো কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। দু-একটি স্থানে সামান্য মাটি ফেলে পুরো কাজ শেষ দেখানো হয়েছে। আবার একটি প্রকল্পে একেবারেই কোনো কাজ করা হয়নি।

    অভিযোগ ওঠা প্রকল্পগুলো হলো, বনগ্রাম দুলালের বাড়ি থেকে আতাউরের পাইকড়ের গাছ পর্যন্ত সড়ক (৫.৫ মেট্রিক টন), চকরামাকান্ত পাকা সড়ক থেকে আব্বাসের বাড়ির সড়ক (৯ মেট্রিক টন), চকমানিক মসজিদ থেকে সোহবারের বাড়ির সড়ক (৭ মেট্রিক টন) এবং চকগৌরী সেতু থেকে আতাউরের বাগান অভিমুখী সড়ক (৯ মেট্রিক টন)।

    সরকারি হিসাবে প্রতি মেট্রিক টন চালের মূল্য ধরা হয়েছে ৪৯ হাজার টাকা। সে হিসাবে আত্মসাৎ করা ৩০ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চালের বাজারমূল্য দাঁড়ায় ১৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা।

    চকগৌরী গ্রামের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মাত্র একদিন কয়েকজন শ্রমিক দিয়ে সামান্য কাজ করানো হয়েছে। এভাবেই সরকারের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। অথচ গ্রামের রাস্তাগুলো বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে আছে।’

    বনগ্রাম দুলালের বাড়ি থেকে আতাউরের পাইকড়ের গাছ পর্যন্ত সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমাকে নামমাত্র সভাপতি করা হয়েছে। প্রকল্পের সবকিছু দেখভাল করেন ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বাবু ও ইউপি সদস্য মনসুর রহমান। প্রকল্প কত টনের, সেটাও আমাদের জানানো হয় না। শুধু কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।’
    আরেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি তানজিলা খাতুন বলেন, ‘প্রকল্প সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। সবকিছু মনসুর মেম্বারই করেন।’

    এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মনসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ব্যস্ততার অযুহাত দেখিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলামকে অফিসে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

    এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন