লক্ষ্মীপুরে কমছে বইপড়া, ডিজিটাল নেশায় হারাচ্ছে পাঠাভ্যাস

“কখনো পাঠকের ভিড়ে জমজমাট ছিল লক্ষ্মীপুর শহরের বইয়ের দোকানগুলো। বই কেনা, বই উপহার দেওয়া, আর নতুন বইয়ের গন্ধ—সবই ছিল এক পরিচিত দৃশ্য। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়া ও ডিজিটাল প্লাটফর্মের বিস্তারে সেই বইপ্রেম আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।”
“ইন্টারনেট আর স্মার্টফোনের নেশায় বই পড়ার অভ্যাস কমছে উদ্বেগজনক হারে। লক্ষ্মীপুর শহরের বইয়ের দোকান ঘুরে দেখা গেছে—পাঠকের অভাবে দিনে দিনে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে এই ব্যবসা।”
“আগে যেখানে দিনে ৫০–৬০ জন পাঠক আসতো, এখন সেখানে দোকানিদের গোটা দিন অপেক্ষা করেও ৫–৬ জন ক্রেতা জোটে না। অনেক দোকানদারই জানাচ্ছেন—অনলাইন, পিডিএফ আর ভিডিও কনটেন্টের কারণে মানুষ বই হাতে নেওয়ার অভ্যাস ভুলতে বসেছে।”
“বিশেষজ্ঞরা বলছেন—ডিজিটাল কনটেন্ট তথ্য পাওয়ার সহজ দরজা খুলে দিলেও, তা পাঠাভ্যাসকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করছে। তরুণ প্রজন্ম বইয়ের প্রতি আগ্রহ হারালে—জ্ঞানচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হারিয়ে যেতে পারে।”
“বই শুধু মাত্র কাগজে লেখা কিছু শব্দ নয়—এটি মননশীল সমাজ গঠনের শক্তিশালী হাতিয়ার। বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ ফিরিয়ে আনতে এখনই প্রয়োজন সামাজিক উদ্যোগ, পাঠাগার সংস্কৃতি এবং পরিবারে বই-পড়ার পরিবেশ তৈরি করা।
“সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা যতই ডিজিটাল হই না কেন—বইয়ের বিকল্প কখনোই বই।