ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সারা দেশের ন্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেন জেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে তৃণমূলের হাজারো নেতা-কর্মী।
পহেলা সেপ্টেম্বর, সোমবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সূচনা হয়। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্যে ছিল কেক কাটা, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও শহরের প্রধান সড়কগুলোতে বিজয় ও আনন্দ র্যালি। এসব আয়োজন ঘিরে পুরো শহরজুড়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম খোকন, এ বি এম মমিনুল হক, , হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি,এডভোকেট গোলাম সারোয়ার খোকন
এডভোকেট শফিকুল ইসলাম,আলী আজম, আসাদুজ্জামান শাহীন প্রমুখসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রেলী শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, “১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে সাধারণ মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। ১৯৭৫ সালে জাতির সংকটকালীন সময়ে সাধারণ মানুষ জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন। তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।”
তিনি আরও বলেন, বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই সাধারণ মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে আসছে। এই সংগ্রামে বিএনপির অসংখ্য নেতা-কর্মী প্রাণ দিয়েছেন, শত শত মানুষ কারাবরণ করেছেন। বর্তমান সময়েও বিএনপি দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র ও অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারাও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, ত্যাগ ও আদর্শকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং দলের প্রতিষ্ঠার এই দিনে দেশ ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আরও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সমবেত হন। র্যালি শেষে দোয়া মাহফিলে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ বিএনপির সকল শহীদ নেতা-কর্মীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।