নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আমিরাত

২০২৭ সালের নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ ও নেপালে অনুষ্ঠিত হবে ১৬ দলের এই প্রতিযোগিতা। ঘরের মাঠে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের ৪১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দুই দেশের চারটি ভেন্যুতে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করে আইসিসি। বাংলাদেশের সিলেট ও চট্টগ্রামের পাশাপাশি নেপালের কাঠমান্ডুর দুটি ভেন্যুতে হবে ম্যাচগুলো।
চার গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে অংশগ্রহণকারী ১৬ দলকে। ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। আগামী ২১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আমিরাতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের মেয়েরা।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ ২৩ জানুয়ারি। একই মাঠে ওই দিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবে স্বাগতিকেরা। ২৫ জানুয়ারি গ্রুপের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নাইজেরিয়া। শেষ দুটি ম্যাচই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা দেড়টায়।
বাংলাদেশের দুটি ভেন্যু হলো সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম। নেপালের কাঠমান্ডুতে ম্যাচ হবে ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও আপার মুলপানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে।
দুইবারের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত রয়েছে ‘এ’ গ্রুপে। তাদের সঙ্গে এই গ্রুপে আছে আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্বাগতিক নেপাল। ২২ জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে ভারত। একই দিন আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে নেপাল।
‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। ‘ডি’ গ্রুপে খেলবে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড।
আগামী ২৬ জানুয়ারি শেষ হবে গ্রুপ পর্বের খেলা। চার গ্রুপের প্রতিটি থেকে শীর্ষ তিনটি দল সুপার সিক্সে জায়গা পাবে। সেখানে ১২ দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। দুই গ্রুপের সেরা দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে।
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল। বৃষ্টির কারণে খেলা আয়োজন সম্ভব না হলে ৫ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে হিসেবে রাখা হয়েছে। একই ভেন্যুতে ৬ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের জন্যও পরদিন, অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে।