বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ঢাকায় ৩৩ স্থানে প্রতিমা বিসর্জন, নিরাপত্তায় ১৬ হাজারের বেশি পুলিশ রাজধানীতে ৫৪৫ সন্দেহভাজন চাঁদাবাজের তালিকা পুলিশের হাতে ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হামের উপসর্গে একজনের মৃত্যু ফাইনালের আশা বাঁচাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ অতিরিক্ত ডিআইজির ভাড়া বাসায় মাসে ২২টি ডিজে পার্টি, আটক ৮৫ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, আগে কিছু জানায়নি কর্তৃপক্ষ সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও বেজা ইকোনমিক জোন পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫১৮ জলবায়ু নীতিতে ঘাটতি, শতাব্দীর শেষে উষ্ণতা বাড়তে পারে ২.৮ ডিগ্রি জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: শফিকুর রহমান
  • ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা কঠিন, দাবি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

    ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা কঠিন, দাবি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইরানের ক্ষমতাসীন সরকার কট্টরপন্থি শিয়া ধর্মীয় নেতাদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তেহরানের সঙ্গে সমঝোতা বা স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রুবিও বলেন, “ইরানি শাসকদের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন। দুর্ভাগ্যবশত, তারা দক্ষ আলোচক নয় এবং কট্টরপন্থি শিয়া ধর্মীয় নেতাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “তারা ধর্মীয় বিশ্বাস দ্বারা পরিচালিত হয়। তাদের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন।”

    ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান অভিযান শুরু হয়। এর মধ্য দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘাতের প্রথম দিনই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে ইরান। জবাবে ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা অবরোধ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। দুই পক্ষের এসব পদক্ষেপের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দফা যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত জুনে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ নামে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়। তবে এসব উদ্যোগ স্থায়ী সমাধান আনতে পারেনি।

    হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলারও কঠোর সমালোচনা করেন রুবিও। এ ধরনের হামলাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে ইরানের কৌশলের সঙ্গে নাৎসি জার্মানির সাবমেরিন হামলার তুলনা করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    রুবিও বলেন, “আমরা এমন একটি দেশকে দেখছি, যারা প্রকাশ্যে ঘোষণা করছে যে তারা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমরা এমন কিছু আর দেখিনি। এটা রীতিমতো নজিরবিহীন।”

    তিনি আরও বলেন, “তারা এমন কৌশল ব্যবহার করছে, যা নাৎসি সাবমেরিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। এটি এমন একটি বিষয়, যার নিন্দা জানাতে বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

    এদিকে, মধ্যস্থতার উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্প্রতি তেহরান সফর করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সেখানে তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    বৈঠকে ঘালিবাফের বক্তব্যের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের কাছে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ সাতটি শর্ত দিয়েছে তেহরান। এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু করবে না বলে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন