বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • ক্ষমতায় বিএনপি, তবু থামছে না নেতাকর্মী হত্যা

    ক্ষমতায় বিএনপি, তবু থামছে না নেতাকর্মী হত্যা
    ছবি: এআই
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সরকার গঠনের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিকভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতাকর্মীরা। গত ২১ মে থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত প্রায় দুই মাসে অন্তত সাতজন বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনার ধরন ও পটভূমি বিশ্লেষণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্থানীয় আধিপত্য, রাজনৈতিক বিরোধ, জমি, মাদক, চাঁদাবাজি কিংবা অর্থনৈতিক স্বার্থের দ্বন্দ্ব হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে উঠে আসছে।

    বিভিন্ন ঘটনায় কোথাও প্রকাশ্যে গুলি, কোথাও কুপিয়ে বা ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বিএনপির নেতাদের। সর্বশেষ কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বিএনপি নেতা জাহিদুল আলম ওরফে জাহাঙ্গীরকে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা পেশাদার খুনি এবং পরিকল্পনা করে ঢাকা থেকে সেখানে গিয়েছিল।

    একই সময়ে নোয়াখালীর কবিরহাটে মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতা মো. ফারুক ওরফে শহীদকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, বাগেরহাট, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জেও গত দুই মাসে পৃথক ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বিএনপির একাধিক নেতা।

    এসব ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার ক্ষমতায় আসার সময় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিলেও সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

    বিএনপির দাবি, এসব ঘটনা দলীয় নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, স্থানীয় পর্যায়ে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

    অন্যদিকে পুলিশ বলছে, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ আলাদাভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার ও বিভিন্ন স্বার্থের সংঘাতের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক ক্ষমতার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক স্বার্থ ও প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা সহিংসতার অন্যতম কারণ। তাদের ভাষ্য, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা এবং দলীয়ভাবে কঠোর অবস্থান না নিলে এ ধরনের সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন