রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: জুবাইদা রহমান গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করতে হবে সাইবার বুলিং বিষয়ে আইআরআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক তিশার লাজুক হাসি নজর কাড়ল ভক্তদের ঘুপচি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, সৎ সাহস থাকলে আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা: ১০ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক নয় : মীর শাহে আলম ফ্রান্সের সিনেটরদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদর বৈঠক জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেবা চালুর উদ্যোগ, প্রশিক্ষণ পাবেন ৫ হাজার
  • ‘জুলাইয়ের অর্জন রক্ষায় জীবন দিতেও প্রস্তুত’—শফিকুর রহমান

    ‘জুলাইয়ের অর্জন রক্ষায় জীবন দিতেও প্রস্তুত’—শফিকুর রহমান
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অর্জন কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আল্লাহর কসম, জীবন দেব, কিন্তু ’২৪ হারিয়ে যেতে দেব না। সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগে অর্জিত এই ইতিহাস কেউ মুছে ফেলতে পারবে না।’

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে আইডিবি ভবনের মিলনায়তনে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার ও সংসদ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ফল। তিনি বলেন, “২০২৪ না হলে আজ আমি বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না, সংসদ সদস্যও হতে পারতাম না। একইভাবে তারেক রহমানও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পেতেন না।”

    তিনি আরও বলেন, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামের অবদান অস্বীকার করা হচ্ছে না। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তন করেছে।

    জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন এবং মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

    তার ভাষায়, “তরুণরা ভিক্ষা নয়, নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ ও অধিকার চেয়েছিল। কিন্তু এখন অনেক প্রতিশ্রুতির কথা শোনা গেলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।”

    গণভোটের ফল এবং সংবিধান সংশোধন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জনগণের বড় অংশ গণভোটে সমর্থন দেওয়ার পরও সেই রায়কে উপেক্ষা করার চেষ্টা চলছে।

    তিনি বলেন, “যখন জনগণের প্রায় ৭০ শতাংশ একটি বিষয়ে মত দিয়েছে, তখন সেটিকে অগ্রাহ্য করার কোনো সুযোগ নেই। জনগণের রায়ই সর্বোচ্চ।”

    সংবিধান সংশোধন কমিটি নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সংবিধানে এমন কমিটির উল্লেখ নেই। তাই এর যৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন।

    সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দায়িত্বশীল পদে থেকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়।

    তিনি বলেন, সংসদে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু উত্থাপন করা হলে তা এড়িয়ে যাওয়া হয়, অথচ রাজনৈতিক বিতর্কে অতীতের বিভিন্ন ঘটনা টেনে আনা হয়।

    প্রতিবেশী দেশ ভারত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা কারও আশ্রয়ের রাজনীতি করি না। বাংলাদেশের মানুষই আমাদের শক্তি এবং এই দেশই আমাদের একমাত্র ঠিকানা।”

    আলোচনা সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহিদ আবু সাঈদসহ সব শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। বক্তারা তাদের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন