রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৮ ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওতে পুতুলের নিয়োগে জালিয়াতি ছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উপ-শাখায় আমানত বেড়েছে, কমেছে ঋণ বিতরণ গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংকের সামনে চাকরি ফেরতের দাবিতে অবস্থান, গ্রাহকদের পাল্টা কর্মসূচি সংকট মোকাবিলায় সরকারের অদক্ষতা স্পষ্ট: হামিদুর রহমান স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: জুবাইদা রহমান
  • স্বাভাবিক প্রসবকক্ষ না থাকলে বন্ধ হবে বেসরকারি ক্লিনিক

    স্বাভাবিক প্রসবকক্ষ না থাকলে বন্ধ হবে বেসরকারি ক্লিনিক
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা কমাতে দেশের সব বেসরকারি ক্লিনিকে আগামী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে লেবার রুম (স্বাভাবিক প্রসবকক্ষ) স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল করে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে।

    সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি (বিএমএস) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। স্বাস্থ্যসেবার একটি অংশ অতিমাত্রায় বাণিজ্যিক হয়ে পড়ায় অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজনের চেয়ে আর্থিক লাভকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্রবণতা মা ও নবজাতকের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।

    তিনি জানান, সরকার সব বেসরকারি ক্লিনিকে মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এতে গর্ভবতী নারীরা স্থানীয় পর্যায়ে সঠিক পরামর্শ পাবেন এবং স্বাভাবিক প্রসবে উৎসাহিত হবেন।

    মন্ত্রী বলেন, একসময় দেশের অধিকাংশ সন্তান জন্ম নিত স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে অভিজ্ঞ দাইয়ের সহায়তায় নিরাপদ প্রসবের দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। কিন্তু বর্তমানে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা বেড়েছে।

    তিনি অভিযোগ করেন, কিছু বেসরকারি ক্লিনিক ও দালালচক্র গর্ভবতী নারীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সিজার করাতে উদ্বুদ্ধ করছে। অনেক সময় ‘অপারেশন না করলে মা বা সন্তান বাঁচবে না’—এমন আশঙ্কা তৈরি করে পরিবারকে সিজারের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মা ও সন্তানের জীবন নিয়ে কোনো পরিবারই ঝুঁকি নিতে চায় না। এই মানসিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই কিছু অসাধু চক্র অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশন করিয়ে থাকে। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা মানুষের কাছে সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য পেশাজীবীদের অন্যতম। তাই চিকিৎসা পেশায় নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং রোগীকেন্দ্রিক সেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। সরকার নিরাপদ মাতৃসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন