শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: ফরেনসিক রিপোর্টে মিলল পাশবিকতার অকাট্য প্রমাণ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্টে মৃত্যুর আগে শিশুটিকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
রোববার (২৪ মে) সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ঘটনার দিন রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ বিকৃত করার উদ্দেশ্যে মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য সরকার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দিয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।
গত ২০ মে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা ঘটনার দায় স্বীকার করেন। তিনি জানান, শিশুটিকে বাসা থেকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তাকে হত্যা করা হয়।
মামলার তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার সময় অভিযুক্তের স্ত্রীও বাসায় উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছে।