রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৮ ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওতে পুতুলের নিয়োগে জালিয়াতি ছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উপ-শাখায় আমানত বেড়েছে, কমেছে ঋণ বিতরণ গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংকের সামনে চাকরি ফেরতের দাবিতে অবস্থান, গ্রাহকদের পাল্টা কর্মসূচি সংকট মোকাবিলায় সরকারের অদক্ষতা স্পষ্ট: হামিদুর রহমান স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: জুবাইদা রহমান
  • ইবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

    ইবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যথাযথ মর্যাদায় কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এ দিনে জাতীয় পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, শোক র‌্যালি, পুষ্পস্তবক অর্পণসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে একটি শোক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। পরে র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ চত্বরে সমবেত হয়।

    এসময় শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক। পরে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, বিভিন্ন কর্মচারী ও কর্মকর্তা সংগঠন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন, সাংবাদিক সংগঠন, হল এবং বিভাগসমূহের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

    পরে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে দোয়া মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ড. আশরাফ উদ্দিন খান। এর আগে গতকাল রাতে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় পবিত্র কুরআন খতম ও দোয়া মোনাজাত করা হয়।

    এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, স্বাধীনতার পূর্বে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয় বাঙালিকে মেধা শূন্য করার জন্য। আজকের এদিনে আমরা বিনম্র শ্রদ্ধায় সকল শহীদদের স্মরণ করছি। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

    উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত মুহূর্তে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা জাতির মেধাবী সন্তান—শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। জাতিকে মেধাশূন্য করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত এই নৃশংসতা ছিল ইতিহাসের এক জঘন্যতম অপরাধ। স্বাধীনতার পর থেকেই দিবসটিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হলেও, ১৯৯৭ সাল থেকে এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন