রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • তফসিল নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ ইসির ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক, উদ্বেগ জানাল ইএসডিও ‘স্বৈরাচার হেরেছে’ স্লোগানে মুখর দিল্লি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে উচ্ছ্বাস রোববার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তের পথে, আগস্টেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি তথ্যভিত্তিক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ওপর জোর দিলেন তথ্যমন্ত্রী দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, একদিনে প্রাণ গেল একজনের ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভিসা সমস্যা সমাধানের আহ্বান শাপলা চত্বর মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই হাম-উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, সর্বশেষ ৬ শিশুর সবাই ঢাকা বিভাগের
  • ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস প্রায় বিলুপ্তির পথে!   

    ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস প্রায় বিলুপ্তির পথে!   
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শীতের সকালের আবছা আলো কুয়াশা মিলে প্রকৃতি একটি মোহনীয় ও স্বর্গীয় রূপ ধারণ করে। কনকনে শীতের মধ্যে খেজুরের রস নামাতো গাছিরা। মাটির হাড়ি ও কলসিতে ভরা ছিল কাচা খেজুর রস।ঘ্রানে ভরে যেত খেজুর গাছের আশপাশ। মনে হতো শীতের সকাল মানেই খেজুর রসের পিঠা,পায়েশের সিজন। এখন আর আগের মতো সেই আমেজ নেই।

    রস এবং রসের মাটির হাড়ি আজ প্রায় হারিয়ে যাওয়ার পথে খেজুর রসের ঐতিহ্য। আগের মতো চোঁখে পরে না গ্ৰাম ও শহরের হাট-বাজারে রস বিক্রির সেই আমেজ। এখন আর গাছিদের ঘরে ঘরে নেই খেজুর রসের পিঠা -পায়েস এবং কাঁচা রস খাওয়ার উৎসব। এখন শুধু নাম মাত্র চলে খেজুরের রসের ভেজাল গুড়ের পিঠা- পায়েস। ঋতু বৈচিত্র্যের পালাক্রমে চলতো শীত।

    শীতকালীন খাদ্য তালিকায় প্রথমে আসে অতি প্রিয় লোভনীয় খেজুরের রস। কিন্তু বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে আগের মতো খেজুর গাছ নেই, হ্রাস পেতে পেতে আজ তা প্রায় শূন্যের কোটায় পৌঁছেছে,গাছিদের সংকট দেখা যাওয়ায় সব মিলিয়ে খেজুরের রসের ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির পথে। প্রয়োজন মতো রস না পাওয়ার জন্য গাছিদের অভাব ও ইট ভাটার আগ্ৰসনকে দ্বায়ী করছে পরিবেশ বাদীরা।

    এলাকাবাসীর কিছু পুরনো গাছিদের সাথে আলাপকালে তারা জানায়-বাংলা আশ্বিন মাস থেকেই সাধারণত রস সংগ্রহ শুরু হয়।তবে পৌষ ও মাঘ মাসে সবচেয়ে বেশি রস সংগ্রহ করা হয়। কারন এই দুই মাসে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে তাই রস ও বেশি পাওয়া যায়। বরিশালের লাকুটিয়া সরকের ভাঙ্গার পুল সারসির স্থানীয় আব্দুর রহিম এক গাছির সাথে আলাপ কালে আরও জানা যায়,প্রায় চার বছর আগেও ছয়টি গাছ থেকে দৈনিক প্রায় ৪০ লিটারের মতো রস সংগ্রহ করা যেত,আর গত দুই বছর আগেও তা হ্রাস প্রায় ২০-২৫ লিটারে দাঁড়িয়েছে। এক হাঁড়ি রস বিক্রি হতো ২০০-২৫০ টাকা।

    এখন প্রতি হাঁড়ি রস ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এখন আর সেই খেজুর গাছ নেই। দুই একটা গাছ থাকলেও তেমন রস হয় না।আগে প্রচুর খেজুর গাছ ছিল বিভিন্ন এলাকা, কিন্তু পরিবেশ দূষণ ও গাছগুলো লাকরি হিসেবে ইট ভাটায় বিক্রি করে দেয়ায় খেজুরের গাছ হারিয়ে যাওয়ার পথে।

    প্রাচীন কাল থেকেই খেজুরের রসের সাথে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য একে অপরের ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত।এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে হলে সরকারি- বেসরকারি ভাবে খেজুর গাছ রোপণের জন্য সকল কে আগ্ৰহী হতে হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন