শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ কোটি বই বিক্রি করেও আজ বিস্মৃত বারবারা কার্টল্যান্ড পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি হামের উপসর্গে আরও ৭ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ১৯ দুর্গাপূজায় ইলিশ রপ্তানি ফের চালুর অনুরোধ ভারতের আমদানিকারকদের শাহবাগে পৃথক স্থান থেকে দুই মরদেহ উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কারিগরি ত্রুটির আড়ালে নাশকতা বা ষড়যন্ত্র আছে কি না খতিয়ে দেখতে হবে: রিজভী বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে আসছে সামঞ্জস্য: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে শতাধিক বাতব্যথা রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ
  • ডিএনসিসির ৫২ নং ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে বাউনিয়া এলাকার বাসিন্দারা

    ডিএনসিসির ৫২ নং ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে বাউনিয়া এলাকার বাসিন্দারা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর তুরাগের বাউনিয়া মাদবরবাড়ি (সরকারবাড়ি) এলাকায় দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে জলাবদ্ধতা ও ড্রেনের নোংরা পানিতে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার। 

    স্থানীয়রা জানান, গোসল ও টয়লেটের ময়লা পানি রাস্তায় জমে থেকে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটা অসম্ভব হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা প্রতিদিন এই নোংরা পানির মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়, উপচে পড়া ড্রেনের পানি রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ বালুর বস্তার ওপর পা রেখে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। স্থানীয় আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) মহিলা মাদ্রাসা, বাইতুল মামুর জামে মসজিদ ও আশপাশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পথচারীদের গায়ে নোংরা পানি ছিটকে পড়ছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি করছে।

    বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, এলাকার কিছু প্রভাবশালী বাড়ির মালিকের ড্রেন ও টয়লেটের বর্জ্য সরাসরি রাস্তায় পড়ে। এতে রাস্তাঘাট কাদা ও দুর্গন্ধময় হয়ে গেছে। আরও অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি ড্রেন লাইন দেওয়ার নামে বাড়ির মালিকদের কাছ থেকে অর্থও হাতিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে রাস্তাটি যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    ২০২৪ সালে এলাকাবাসী ডিএনসিসি’র প্রধান কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করে দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের দাবি জানান। পরে ডিএনসিসি’র অঞ্চল-৬ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জালাল উদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাজেট সংকটের কথা জানিয়ে ভবিষ্যতে কাজের আশ্বাস দেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা ও পলিথিন দূষণের কারণে জলাবদ্ধতা আরও বাড়ছে। এতে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ড্রেন পরিষ্কার, রাস্তা সংস্কার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকর করতে ডিএনসিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

    ভুক্তভোগী বাসিন্দারা বলেন, “আমরা প্রতিদিন নোংরা পানিতে হেঁটে চলি, শিশুরা চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।”এ বিষয়ে এলাকাবাসী সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, ডিএনসিসি ও এলজিইডি’র দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন