মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাড়ি দখল-চাঁদাবাজির মামলায় অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ৪ টানা তৃতীয় দফায় কমল সোনার দাম, ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা প্রযুক্তি খাতে দক্ষ কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা দেবে সরকার নিউ গিনি প্রোপার্টিজে হামলা: এজাহারভুক্ত জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার চীনের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও বাড়াতে চান তারেক রহমান জাতিসংঘে তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ, মন্ত্রিসভার অভিনন্দন কালকিনি ইউএনও -এর সঙ্গে ফ্রেন্ডশীপ ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৯৮ ভুল হাতে এআই গেলে ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে: বিল গেটস ভারতের চার রাজ্যে টানা বর্ষণ, উত্তরপ্রদেশে ১৭ জনের মৃত্যু
  • থমথমে চবি ক্যাম্পাস, যৌথবাহিনীর টহল জোরদার

    থমথমে চবি ক্যাম্পাস, যৌথবাহিনীর টহল জোরদার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষের পর সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে যৌথবাহিনী টহল জোরদার করেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে আজকের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।

    সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট, জিরো পয়েন্ট, সোহরাওয়ার্দী মোড়, শহীদ মিনার ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রধান স্থানে এলাকা ফাঁকা। শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নেই, তবে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাসে যৌথবাহিনী টহল দিচ্ছে, ১৪৪ ধারা কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে, আশা করছি শিগগিরই পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, রোববারের সংঘর্ষের পর আজ ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার ক্লাস-পরীক্ষা হবে কি না, তা পরে জানানো হবে।

    গত শনিবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী আহত হয় বলে জানিয়েছে চবি মেডিকেল সেন্টার। তাদের মধ্যে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

    চবি মেডিকেল সেন্টারের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, আহতদের মধ্যে কারো মাথা, কারো শরীর কেটে গেছে। কারো গভীর ক্ষত হয়েছে। ছোট থেকে বড় সব ধরনের আঘাত রয়েছে।

    রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন এবং প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ সংঘর্ষরত পক্ষগুলোকে শান্ত করতে গেলে স্থানীয়দের দিক থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

    শিক্ষার্থীদের হাতে রড, পাইপ ও লাঠি এবং স্থানীয়দের হাতে রামদা ও ধারালো অস্ত্র দেখা গেছে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ক্যাম্পাস পেরিয়ে গ্রামের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থীকে আটকে মারধর করা হয় এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুপুর ২টার দিকে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। বর্তমানে গুরুতর আহত তিন শিক্ষার্থী নগরের বেসরকারি দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
     


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন