সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • তফসিল নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ ইসির ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক, উদ্বেগ জানাল ইএসডিও ‘স্বৈরাচার হেরেছে’ স্লোগানে মুখর দিল্লি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে উচ্ছ্বাস রোববার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তের পথে, আগস্টেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি তথ্যভিত্তিক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ওপর জোর দিলেন তথ্যমন্ত্রী দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, একদিনে প্রাণ গেল একজনের ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভিসা সমস্যা সমাধানের আহ্বান শাপলা চত্বর মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই হাম-উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, সর্বশেষ ৬ শিশুর সবাই ঢাকা বিভাগের
  • ভোলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টায় পৌরপ্রকৌশলী, সংঘর্ষের শঙ্কা

    ভোলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টায় পৌরপ্রকৌশলী, সংঘর্ষের শঙ্কা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলা শহরের পৌর কাঠালী পানির কল সড়কে পন্ডিতবাড়ী নামক এলাকায় বিবদমান একটি জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জমির মালিক দাবীদার মো: জানে আলম সূজন গণমাধ্যমকে জানান, আমার জমির মালিকানা বিরোধ নিয়ে প্রতিপক্ষ ভোলা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর বাবা মো: মাইনউদ্দিন গং ভোলা সদর সহকারি জজ আদালতে ২০২২ ইং সালে দেওয়ানি মামলা (যার নম্বর ৯২ /২২) দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালত তর্কিত সম্পত্তির উপর স্থিতিবস্থা জারি রাখেন। মামলাটি এখনো চলমান। বর্তমানে মামলাটিতে বাদির জেরা চলমান রয়েছে। মামলার পরবর্তী তারিখ ১০ জুলাই ২০২৫ইং সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য আছে।

    তিনি জানান, জমির তফছিল মৌজা পৌর কাঠালী। এস এ খতিয়ান নং ২৫৪। বাদি এ কে এম মইনুদ্দিন এবং বিবাদী জানে আলম গং। উক্ত মামলাটি মাইনউদ্দিন গং বাদী হিসেবে দায়ের করে স্থিতিবস্থার আদেশ পেয়েও এখন মামলার নিষ্পত্তি না হতেই তারা জোরজবরানে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ও লাঠিয়াল দ্বারা জমিটি দখলের পায়তারা করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,এ মামলা দায়েরের পর বাদী মাইনউদ্দিন মিয়া ও তার বড় ছেলে মো : রাহিতের মৃত্যু হয়। এরপর মামলাটি পরিচালনা করেন বাদীর ছেলে ভোলা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নুর আল আজাদ রাসেল ও তার মামা মো: মহিউদ্দিন ওরফে নওরোজ। তথ্যমতে, আওয়ামী স্বৈরশাসনামলে উক্ত রাসেল ভোলা পৌরসভার প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকাকালীন স্বৈরাচার তোফায়েল আহমেদের ভাগ্নে মেয়র মনিরুজ্জামানের অন্যায় ও দূর্ণীতির সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে মানুষের উপর জুলুম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাতো। মেয়র কর্তৃক ভোলা পৌরসভার বিভিন্ন খাতের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের একটি বিশাল অংশ চলে যায় রাসেলের পকেটে। বিগত ১৫ বছরে পৌরসভার লুটের টাকায় প্রকৌশলী নুর আল আজাদ রাসেল হয়ে উঠেন বিশাল বিত্ত্ববৈভবের মুকুটহীন সম্রাট। জুলাই বিপ্লবকালে কৌশলগত কারনে উক্ত রাসেল অন্য পৌরসভায় কিছুদিন অবস্থান করলেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর উপর মহলকে ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাসেল জার্সি বদল করে নিজেকে বিএনপির তকমা লাগিয়ে ফের যোগদান করেন ভোলা পৌরসভায়। তথ্যমতে, স্বৈরজমানাকালের মতই ফের রাষ্ট্রের টাকা লুটের মতলবে রাসেল ভোলা শহরে গড়ে তোলেন সন্ত্রাসী বাহিনী। তথ্যমতে, এই সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী মাধ্যমেই প্রকৌশলী রাসেল সামান্য দিন মজুর জানে আলম সূজনের দাবীকৃত পৈতৃক ৬৯ শতাংশ জমি দখলের পায়তারা শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানকালে ওই এলাকার শ্রেণীপেশার মানুষ জানান,রাসেলের পিতা মো: মাইনউদ্দিন মিয়া একসময় ভূমি কর্মকর্তা থাকাকালীন একই এলাকার মো: খোরশেদ আলম মিয়ার ওই ৬৯ শতাংশ জমি নিজের নামে পর্চা কাটিয়ে জোরপূর্বক দখলে রেখে ভোগবিলাসে মত্ত্ব ছিলেন। মাইনউদ্দিন মিয়ার লাঠিয়ালবৃত্তি আর দোর্দণ্ড প্রতাপের কাছে খোরশেদ আলম ছিলেন একেবারেই অসহায়। মাইনউদ্দিন মিয়ার লাগাতার টর্চারের আঘাতে একসময় শারীরিক ও অমানুষিক যন্ত্রনার শিকার হয়ে মারা যান জমির মালিক খোরশেদ আলম। এরপর থেকে অতীতের ধারাবাহিকতায় খোরশেদ আলমের ছেলে মেয়েদের ওই জমির কাছে কখনো ঘেসতে দেননি মাইনউদ্দিন মিয়ার পুত্র রাসেল ও শ্যালক মহিউদ্দিন নওরোজ। কালক্রমে জমির হিস্যা বুঝে পেতে খোরশেদ আলমের বড় ছেলে জানে আলম সূজন এলাকার সচেতন মহলের দাড়স্থ্য হন। তখন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে বিভিন্নসময় শালিশদরবার হলে জানে আলম গংদের পক্ষেই রায় আসে। তবে এসব সামাজিক ফয়সালা না মেনে মাইনউদ্দিন গংরা ২০২২ইং সালে ওই জমি নিজেদের দাবী করে দেওয়ানী আদালতে মামলা ঠুকে দেন। আদালত বিরোধপূর্ণ ওই জমির উপর স্থিতিদাদেশ দিলেও প্রকৌশলী রাসেল তা মানতে না-রাজ। ফলে চলমান মামলায় বিজ্ঞ আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পেশী শক্তির দাপটে ওই জমিটি দখলের পায়তারা চালাচ্ছে রাসেল বাহিনী। ফলে ওই এলাকায় এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিরোধপূর্ণ উক্ত জমি দখলবাজীকে কেন্দ্র করে শহরের পানির কল সড়কের পন্ডিত বাড়ী এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাআাসী। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভোলা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী নুর আল আজাদ রাসেলের সাথে কথা হলে তিনি গণমাধ্যমের কাছে কোনোপ্রকার সদূত্তর দেননি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন