শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ কোটি বই বিক্রি করেও আজ বিস্মৃত বারবারা কার্টল্যান্ড পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি হামের উপসর্গে আরও ৭ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ১৯ দুর্গাপূজায় ইলিশ রপ্তানি ফের চালুর অনুরোধ ভারতের আমদানিকারকদের শাহবাগে পৃথক স্থান থেকে দুই মরদেহ উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কারিগরি ত্রুটির আড়ালে নাশকতা বা ষড়যন্ত্র আছে কি না খতিয়ে দেখতে হবে: রিজভী বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে আসছে সামঞ্জস্য: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে শতাধিক বাতব্যথা রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ
  • ছাত্রদের ঢাল হয়ে দাঁড়ানো সেই মাসুদ আলম এখন রমনার ডিসি

    ছাত্রদের ঢাল হয়ে দাঁড়ানো সেই মাসুদ আলম এখন রমনার ডিসি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সারাদেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ব্যতিক্রমী ভূমিকা রাখেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা, তখনকার পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. মাসুদ আলম। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ছাত্রদের প্রতি মানবিক ও সাহসী অবস্থানের কারণে ওই সময়ে ভাইরাল হওয়া মাসুদ আলমের একটি ভিডিও সম্প্রতি আবার আলোচনায় আসে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, যদি তোমাদের অ্যাটাক করার জন্য কেউ আসে, তাহলে আমি আছি। আমার উপর দিয়ে যাইতে হবে। আগে আমাকে মারতে হবে, তারপর যাইতে হবে।

    এই ভিডিওটি প্রথম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় ‘দ্য রেড জুলাই’ নামের একটি পেজ। পরবর্তীতে তা শেয়ার করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই মাসুদ আলমের প্রশংসা করেন।

    ‘দ্য রেড জুলাই’ পেজের এডমিন সজিব বলেন, ভিডিওটা আমাদের পাবনা জেলা টিম পাঠিয়েছে। সেদিনের আন্দোলনে মাসুদ আলম সাহসী ভূমিকা রেখেছেন, তা স্থানীয়রাও স্বীকার করেন।

    একজন নেটিজেন নাজমুস সাদাত মন্তব্যে লেখেন, সেদিন মাসুদ ভাই সাহসী ভূমিকা না নিলে হয়তো শহীদের তালিকা আরও দীর্ঘ হতো। ধন্যবাদ মাসুদ ভাই।

    এছাড়া বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক আন্দোলনের সময়েও সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকায় প্রশংসিত হয়েছেন মাসুদ আলম। গত মে মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে মাঠে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হুট করে খেলার মাঠ থেকে জার্সি পরেই ঘটনাস্থলে চলে যান তিনি। তখন তিনি ছিলেন ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি।

    এর আগেও তিনি আলোচনায় আসেন ১৫ এপ্রিল সায়েন্সল্যাব মোড়ে সিটি কলেজ ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায়। সেসময় তিনি বলেছিলেন, এই সংঘর্ষের কারণ আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারবে না। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

    মাসুদ আলম বাংলাদেশ পুলিশের ২৮তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা। তিনি র‌্যাব-৬ এর ঝিনাইদহ ক্যাম্প ও পাবনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সুপার হন এবং বর্তমানে তিনি রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ