বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ফুটপাত দখলমুক্ত করতে মিরপুরে অভিযান অব্যাহত থাকবে: শফিকুল ইসলাম দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা নজরদারি থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২৩৫ ইউনিটের বিল ৫০৭ কোটি টাকা, গ্রাহককে ফোন করে বিদ্যুৎ মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ পূর্বাচলে ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে অসদাচরণ, নারীসহ দুজনের কারাদণ্ড তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক কাজ শুরু, সমীক্ষার প্রস্তাব ২৩ কোটি টাকা ইইডির প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সাড়ে ৫ কোটি টাকার দুর্নীতির পুনঃতদন্ত দাবি ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে মিরপুর ১০-এ সংঘর্ষ, গাড়ি-ভেকু ভাঙচুর ৫৬ বছর বয়সে উগান্ডার নতুন রাজা এডওয়ার্ড রুকিডি ট্যাটু করলে অজু-গোসল হবে কি, কী বলে ইসলাম? সন্তানকে নেক ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন যেভাবে
  • মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ৪২৭ রোহিঙ্গা: জাতিসংঘ

    মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ৪২৭ রোহিঙ্গা: জাতিসংঘ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে পৃথক দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় ৪২৭ জন রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

    শনিবার (২৪ মে) সংস্থাটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, নৌকাগুলোতে থাকা অধিকাংশই আশ্রয়প্রার্থী ছিল, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিল।

    ইউএনএইচসিআর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মানবিক সহায়তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে বলো হয়েছে, ৯ মে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের উপকূল থেকে ২৬৭ জন রোহিঙ্গা যাত্রী নিয়ে রওনা হয়েছিল একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা। কিন্তু বেশ কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর নৌকাটি ডুবে যায় এবং ৬৬ জন সেখান থেকে বেঁচে ফিরে আসতে সক্ষম হন। বাকিদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে পরের দিন ১০ মে। সেদিনও আরাকান উপকূল থেকে ২৪৭ জন যাত্রী নিয়ে রওনা হয়েছিল একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা। কিন্তু কিছুদূর গিয়ে নৌকাটি ডুবে যায় এবং মাত্র ২১ জন জীবন নিয়ে ফিরে আসতে সক্ষম হন, বাকিরা নিখোঁজ।

    এ ঘটনায় গভীর দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএনএইচসিআর। সংস্থার এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের ব্যুরোপ্রধান হাই কিউং জুন এক বিবৃতিতে বলেছেন, “মিয়ানমারের ভয়াবহ সংঘাত পরিস্থিতি এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর দশকের পর দশক ধরে চলতে থাকা নির্যাতন-নিপীড়ন এই জনগোষ্ঠীকে এমন চরম ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিতে বাধ্য করছে।”

    ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বেশ কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে একযোগে বোমা হামলা ঘটায় সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। সেই হামলার প্রতিক্রিয়ায় আরাকানের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভয়াবহ হামলা শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

    সেনা সদস্যদের নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের মুখে টিকতে না পেরে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করেন হাজার হাজার রোহিঙ্গা। বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে কক্সবাজারের টেকনাফ জেলার কুতুপালংয়ে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে জাতিসংঘ ও অন্যান্য দাতা সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান শুরু হয়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত এই ব্যবস্থাই চলে আসছে। বর্তমানে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন ১৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

    ৯ ও ১০ মে নিখোঁজ হওয়া রোহিঙ্গা যাত্রীরা ঠিক কোন গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন— তা জানা যায়নি। উন্নততর জীবনের আশায় যেসব রোহিঙ্গা সাগরপথে পাড়ি জমান, তাদের গন্তব্য সাধারণত হয় বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া বা দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অন্য কোনও দেশ। সূত্র: ইউএনএইচসিআর, নাদোলু এজেন্সি, এনডিটিভি


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ