শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে শক্তিশালী ইন্টারনেট প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু গ্রিনল্যান্ডে বড় সামরিক উপস্থিতির চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র-ডেনমার্কের মধ্যনগরে ২০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক দ্বিতীয় বিয়ের প্রথম বার্ষিকীতে শবনম ফারিয়ার আবেগঘন পোস্ট পুরুষদের পিরিয়ড হলে ‘পিরিয়ড লিভ’ থাকত: শ্রুতি হাসান সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমন্বিত কাঠামোয় আনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রীতি ম্যাচ খেলতে ডেকে মাঠে এল না চীন পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী হামলা: অভিযানে ৮ জঙ্গি নিহত ঢাকায় ২০০টির বেশি চেকপোস্ট, ককটেল বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তা জোরদার
  • সালমান শাহ: চলে গিয়েও যিনি থেকে গেছেন কোটি দর্শকের হৃদয়ে

    সালমান শাহ: চলে গিয়েও যিনি থেকে গেছেন কোটি দর্শকের হৃদয়ে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলা চলচ্চিত্রে অনেক নায়ক এসেছেন, জনপ্রিয় হয়েছেন, দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন। কেউ দীর্ঘ সময় ধরে সেই জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন, কেউ আবার সময়ের সঙ্গে হারিয়ে গেছেন। কিন্তু এমনও একজন আছেন, যিনি মাত্র কয়েক বছর অভিনয় করেও বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে নিজের জন্য তৈরি করে নিয়েছেন আলাদা একটি জায়গা। তিনি সালমান শাহ।

    আজ ১৯ সেপ্টেম্বর, বাংলা চলচ্চিত্রের এই প্রয়াত নায়কের জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সিলেটের জকিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, যিনি পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্রে সালমান শাহ নামে পরিচিতি পান। মাত্র ২৫ বছরের জীবনে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন অল্প কয়েকটি সিনেমায়। কিন্তু সেই অল্প সময়ই তাঁকে পরিণত করেছে বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে আলোচিত ও স্মরণীয় তারকাদের একজন হিসেবে।

    সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পেরিয়ে গেলেও তাঁর জনপ্রিয়তায় যেন ভাটা পড়েনি। নতুন প্রজন্মের অনেক দর্শকও তাঁর সিনেমা দেখেন, তাঁর অভিনয় ও পোশাকের ধরন নিয়ে আলোচনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ছবি, সংলাপ ও সিনেমার গান এখনো ছড়িয়ে পড়ে। জন্মদিন কিংবা মৃত্যুবার্ষিকীতে ভক্তদের নানা আয়োজনেও ফিরে আসে তাঁর নাম।

    নায়ক হওয়ার স্বপ্ন ছিল ছোটবেলা থেকেই

    সালমান শাহর চলচ্চিত্রে আসার গল্পের শুরু অবশ্য সিনেমার পর্দায় নয়। ছোটবেলা থেকেই নায়ক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইমন নিজেকে ছোটবেলা থেকেই নায়ক হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।

    আঁখির ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর মা খোশনূর আলমগীরের সঙ্গে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রেই ইমনের সঙ্গে তাঁদের পরিচয়। চলচ্চিত্র ও সংগীতের সঙ্গে আলমগীর পরিবারের সম্পৃক্ততার কারণে ইমন নিয়মিত তাঁদের কাছে যেতেন এবং অভিনয়ে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করতেন।

    আঁখি আলমগীরের ভাষায়, ইমন বলতেন, ‘আন্টি প্লিজ একটা কিছু করেন। আপনি চাইলে হবে।’

    পরে সালমান শাহর মা তাঁকে নিয়ে নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহানের কাছে যান। সেখান থেকেই বদলে যায় তাঁর জীবনের গতিপথ।

    ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে শুরু

    ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেন মৌসুমী।

    প্রথম সিনেমাতেই সালমান শাহ দর্শকের নজর কাড়েন। তাঁর অভিনয়, চেহারা, পোশাক, চুলের স্টাইল এবং পর্দায় উপস্থিতি তরুণ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

    ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’-এর গানগুলোও সিনেমাটির জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে সালমান-মৌসুমীর জুটি দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। অভিষেকেই যে সাড়া তিনি পেয়েছিলেন, সেটিই পরবর্তী সময়ে তাঁর ক্যারিয়ারের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

    মাত্র কয়েক বছরে বদলে দেন নায়কের সংজ্ঞা

    সালমান শাহর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো—তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সুযোগ পাননি। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের অভিনয়ের আলাদা ধরন তৈরি করেছিলেন।

    ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘আনন্দ অশ্রু’ এবং ‘বুকের ভেতর আগুন’—একটির পর একটি সিনেমায় তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

    রোমান্টিক নায়ক হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি হলেও শুধু প্রেমের গল্পে আটকে ছিলেন না সালমান শাহ। পারিবারিক গল্প, সামাজিক বাস্তবতা, অ্যাকশন ও আবেগনির্ভর চরিত্রেও তাঁকে দেখা গেছে।

    তাঁর অভিনয়ের একটি বড় বৈশিষ্ট্য ছিল স্বাভাবিকতা। সংলাপ বলার ধরন, চোখের অভিব্যক্তি, হাসি কিংবা রাগ প্রকাশ—সবকিছুতেই তিনি নিজের একটি আলাদা ভঙ্গি তৈরি করেছিলেন।

    মৌসুমী ও শাবনূরের সঙ্গে জুটি

    সালমান শাহর ক্যারিয়ারে নায়িকা হিসেবে মৌসুমী ও শাবনূরের সঙ্গে তাঁর জুটি বিশেষভাবে আলোচিত।

    ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে মৌসুমীর সঙ্গে তাঁর জুটি দর্শকের কাছে পরিচিতি পায়। পরবর্তী সময়ে শাবনূরের সঙ্গে জুটি বেঁধেও একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

    বিশেষ করে শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি নব্বইয়ের দশকের দর্শকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তাঁদের অভিনীত সিনেমাগুলোর গান, প্রেমের দৃশ্য ও সংলাপ তখন তরুণদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।

    সালমান-শাবনূর জুটি শুধু একটি নির্দিষ্ট সময়ের জনপ্রিয় জুটি ছিল না; পরবর্তী সময়েও তাঁদের সিনেমা টেলিভিশন ও বিভিন্ন মাধ্যমে দর্শকের আগ্রহ ধরে রেখেছে।

    পর্দার বাইরে ফ্যাশন আইকন

    সালমান শাহকে শুধু অভিনেতা হিসেবে দেখলে তাঁর প্রভাবের একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের তরুণদের পোশাক ও চুলের স্টাইলেও তাঁর প্রভাব দেখা যায়।

    টি-শার্ট, জিনস, শার্ট, সানগ্লাস, মাথায় নানা ধরনের চুলের কাট কিংবা বিশেষ ধরনের পোশাক—সালমান যেভাবে পর্দায় হাজির হতেন, তরুণদের একটি অংশ সেটিই অনুসরণ করত।

    একই পোশাককে নিজের মতো করে উপস্থাপন করার ক্ষমতা ছিল তাঁর। ফলে তিনি শুধু সিনেমার নায়ক ছিলেন না; হয়ে উঠেছিলেন একটি প্রজন্মের ফ্যাশন ও জীবনযাপনের অনুপ্রেরণার অংশ।

    আজকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে তাঁর পুরোনো সিনেমার দৃশ্য কিংবা ছবিগুলো দেখলেও সেই স্টাইলের অনেক কিছুই আধুনিক মনে হয়। এ কারণেই মৃত্যুর বহু বছর পরও তাঁকে ঘিরে ফ্যাশন ও স্টাইলের আলোচনা থামেনি।

    গানেও বেঁচে আছেন সালমান

    সালমান শাহর সিনেমার জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ ছিল গান। তাঁর অভিনীত সিনেমার অনেক গান এখনো শ্রোতাদের কাছে পরিচিত।

    ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘তোমাকে চাই’সহ বিভিন্ন সিনেমার গান তাঁর পর্দার উপস্থিতির সঙ্গে মিশে আছে।

    সিনেমার গল্পের পাশাপাশি গানকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও সালমান শাহর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তাঁর ঠোঁটে গান, নায়িকার সঙ্গে দৃশ্য এবং সেই সময়ের সংগীত—সব মিলিয়ে নব্বইয়ের দশকের চলচ্চিত্রের একটি বিশেষ আবহ তৈরি হয়েছিল।

    অকালমৃত্যু থামিয়ে দেয় সম্ভাবনার পথ

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যু হয়। তখন তাঁর বয়স মাত্র ২৫ বছর।

    অভিনয়জীবনের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সময়েই তাঁর মৃত্যু ঘটে। মাত্র কয়েক বছরের ক্যারিয়ারে তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তা বিবেচনায় তাঁর সামনে আরও দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় ক্যারিয়ার অপেক্ষা করছিল—এমন ধারণা বহু দর্শক ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির।

    তাঁর মৃত্যু বাংলা চলচ্চিত্রে তৈরি করে এক গভীর শূন্যতা। সময়ের সঙ্গে সেই শূন্যতা পূরণ করার মতো অনেক নায়ক এলেও সালমান শাহর জায়গাটি আলাদা হয়ে থাকে।

    তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে নানা আলোচনা ও বিতর্কও দীর্ঘদিন ধরে জনপরিসরে রয়েছে। তবে এসব বিতর্কের বাইরে একটি বিষয় নিয়ে দর্শকের মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই—সালমান শাহ বাংলা চলচ্চিত্রে এমন এক জনপ্রিয়তার ছাপ রেখে গেছেন, যা তাঁর মৃত্যুর পরও মুছে যায়নি।

    কেন এখনো এত জনপ্রিয় সালমান শাহ?

    প্রশ্নটি সহজ, কিন্তু উত্তরটি একক নয়।

    কেউ বলেন তাঁর অভিনয় তাঁকে আলাদা করেছে। কেউ মনে করেন তাঁর ব্যক্তিত্ব ও পর্দার উপস্থিতিই ছিল মূল কারণ। আবার অনেকের মতে, তিনি যে সময়ে চলচ্চিত্রে এসেছিলেন, তখন বাংলা সিনেমায় পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল এবং সালমান সেই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পেরেছিলেন।

    তবে তাঁর জনপ্রিয়তার পেছনে কয়েকটি বিষয় স্পষ্টভাবে দেখা যায়—স্বাভাবিক অভিনয়, রোমান্টিক চরিত্রে গ্রহণযোগ্যতা, নায়কোচিত উপস্থিতি, সময়ের তুলনায় আধুনিক পোশাক ও স্টাইল, জনপ্রিয় গান এবং সহশিল্পীদের সঙ্গে রসায়ন।

    সবকিছুর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল তাঁর অকালমৃত্যু। ফলে তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা পর্যায়ে দর্শকের কাছে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাননি; বরং অল্প সময়ের মধ্যেই তৈরি হওয়া জনপ্রিয়তার জায়গায় থেমে যান। সেই অসমাপ্তিই হয়তো তাঁকে ঘিরে দর্শকের কৌতূহল ও আবেগ আরও দীর্ঘস্থায়ী করেছে।

    নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান পরিচিত

    সালমান শাহ যখন চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তো দূরের কথা, ইন্টারনেটও সাধারণ দর্শকের জীবনের অংশ হয়ে ওঠেনি। তাঁর জনপ্রিয়তার প্রধান মাধ্যম ছিল সিনেমা হল, টেলিভিশন, অডিও ক্যাসেট, পত্রিকা ও মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গল্প।

    কিন্তু আজকের প্রজন্ম তাঁকে চিনছে ইউটিউব, ফেসবুক, বিভিন্ন ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ও পুরোনো সিনেমার মাধ্যমে।

    এটাই সালমান শাহর জনপ্রিয়তার অন্যতম বড় দিক। সময় বদলেছে, দর্শকের বিনোদনের মাধ্যম বদলেছে, চলচ্চিত্রের ভাষা বদলেছে—কিন্তু সালমান শাহর নামটি হারিয়ে যায়নি।

    জন্মদিনে ফিরে আসে প্রিয় নায়ক

    প্রতি বছর জন্মদিন ও মৃত্যুবার্ষিকীতে সালমান শাহকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। তাঁর সিনেমার গান বাজে, পুরোনো দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, ভক্তরা তাঁর ছবি প্রকাশ করেন। চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে নতুন প্রজন্মের দর্শকরাও ফিরে যায় তাঁর সিনেমার কাছে।

    আজ তাঁর ৫৫তম জন্মবার্ষিকী। জীবনের হিসাবে এটি তাঁর ৫৫ বছর পূর্ণ করার সময় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ২৫ বছর বয়সেই থেমে গেছে তাঁর জীবন।

    তবু একজন শিল্পীর জীবন কেবল তাঁর বেঁচে থাকার বছর দিয়ে মাপা হয় না। তাঁর কাজ কতটা মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পেরেছে, কতটা সময় অতিক্রম করে নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে—সেখানেও তাঁর অস্তিত্বের পরিমাপ হয়।

    সেই হিসাবে সালমান শাহ এখনো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এক জীবন্ত স্মৃতি।

    তিনি নেই, কিন্তু তাঁর সিনেমা আছে। তাঁর গান আছে। তাঁর সংলাপ আছে। তাঁর পোশাকের স্টাইল আছে। আছে তাঁকে ঘিরে কোটি দর্শকের ভালোবাসা ও স্মৃতি।

    আর তাই প্রতি বছর ১৯ সেপ্টেম্বর ফিরে এলে বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে আবারও উচ্চারিত হয় একটি নাম—সালমান শাহ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন