সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

রোজার পরই এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

রোজার পরই এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

রোজার পর এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং আপাতত পরীক্ষার সময়সূচি পেছানোর কোনো কারণ দেখছেন না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, পরীক্ষা আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই রোজার পর এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পেছানোর প্রয়োজন নেই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তাই নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হবে।

কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, এই খাতে বিদ্যমান দুর্বলতাগুলো সম্পর্কে সরকার অবগত। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষক প্রয়োজন রয়েছে এবং শিক্ষকসংকট দূর করার বিষয়েও কাজ চলছে।

শিক্ষামন্ত্রীর মতে, দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিস্তার গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় চীনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই খাতে দেশটির অর্জন ও সফলতার বিভিন্ন দিক বাংলাদেশে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের আমন্ত্রণে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দেশটির কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানা এবং সেগুলো বাংলাদেশের বাস্তবতায় কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, তা খুঁজে দেখা।

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে চীনের সহযোগিতা

কারিগরি শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষকদের আরও প্রশিক্ষিত করে তুলতে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে।

তৃতীয় ভাষা হিসেবে চীনা ভাষার ওপর গুরুত্ব

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন বা চীনা ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে চীনের অনেক প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল সরবরাহের জন্য দেশের শিক্ষার্থীদের ভাষাগত ও কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন।

সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি হলে দেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং জনসংখ্যাকে কার্যকর মানবসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন