বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সময়মতো খেলা শুরু নিয়ে অনিশ্চয়তা দেশজুড়ে মৌলিক সুবিধা বিস্তারের পরিকল্পনা সরকারের হজে গিয়ে আরও এক মৃত্যু, সৌদিতে পৌঁছেছেন ৩৮,২০৭ যাত্রী পদত্যাগের পরও ৬ মাস ভিভিআইপি থাকবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টা স্বর্ণার ফিফটির পরও জয় হাতছাড়া বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা জটিলতা কমবে শিগগিরই: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বার খুলল, রূপপুরে ফুয়েল লোডিং শুরু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এনসিপি নেতা সারজিস আলম মোহাম্মদপুরে গ্যাং সহিংসতা, আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে বাড়ছে হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কারাবাসের অভিজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
  • চাঁদাবাজির ঘটনায় পাশে থাকায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ডা. কামরুলের

    চাঁদাবাজির ঘটনায় পাশে থাকায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ডা. কামরুলের
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী, যুবদল নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রখ্যাত কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম।

    শনিবার (১১ এপ্রিল) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সংকটময় পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া পাওয়ায় তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট মহলের তৎপরতা তার আস্থা আরও বাড়িয়েছে।

    ডা. কামরুল ইসলাম জানান, নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দেওয়া মো. মঈন উদ্দিন মঈন দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের বিভিন্ন সরবরাহ সংক্রান্ত কাজে চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। হাসপাতালের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অনিয়মে সাড়া না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন শুরু করেন।

    তিনি বলেন, সর্বশেষ শুক্রবার সকালে মঈন উদ্দিন হাসপাতালে এসে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেন এবং কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি একজন কর্মচারীকে হুমকি দেন। পরে ৩০ মার্চ শেরেবাংলানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

    ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর শুক্রবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ নেতারা হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

    ডা. কামরুল ইসলাম আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার জন্য গণমাধ্যমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    তিনি জানান, হাসপাতালের খাবার সরবরাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকেই মূলত এই ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে কাজ না দেওয়ায় তারা চাঁদা দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন শুরু করে।

    উল্লেখ্য, অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিনা পারিশ্রমিকে কিডনি প্রতিস্থাপন করে আসছেন এবং মানবসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০২২ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

    এ ঘটনায় শেরেবাংলানগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত চলছে এবং প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আরও পড়ুন