বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • তাঁত শিল্পকে জাগিয়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন ফখরুল কন্যা শামারুহ মির্জা

    তাঁত শিল্পকে জাগিয়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন ফখরুল কন্যা শামারুহ মির্জা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কালের গর্ভে বিস্মৃত হয়ে গেছে গ্রাম বাংলার তাঁত শিল্পীদের গৌরবময় ইতিহাস। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে দেশের লুপ্ত প্রায় তাঁত শিল্প আবার জেগে উঠতে পারে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বড়গাঁও ইউনিয়নের কেশুর বাড়ী এলাকায় স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও তাঁতশিল্প পরিদর্শন করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী  মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় কন্যা ড. শামারুহ মির্জা। 

    মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে তিনি স্থানীয় তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও সংকটের বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন। পরে তিনি তাঁতশিল্প ঘুরে দেখেন এবং তাঁদের তৈরি পণ্যও সংগ্রহ করেন।

    ড. শামারুহ মির্জা বলেন, তাঁতিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে সহযোগিতা করা হবে। বিষয়টি নিয়ে ব্র্যাক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। 

    তিনি আরও বলেন, আমরা চাই এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প আবার ঘুরে দাঁড়াক। 

    তাঁর আশ্বাসকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। 

    স্থানীয় তাঁতশিল্পী শ্যামলী রানী বলেন, একসময় এই এলাকায় তাঁতশিল্প খুব জনপ্রিয় ছিল। এখন তাঁত শিল্প প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। কাজ না থাকায় মানুষ অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। যদি আবার এই শিল্প চালু হয়, তাহলে গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে। 

    তিনি আরও বলেন, তাঁতের সুতা এখন অনেক দূর থেকে সংগ্রহ করতে হয়, দামও বেশি। খরচ বাড়লেও লাভ কমে যাচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এই শিল্প আবার আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে। 

    স্থানীয়দের মতে, একসময় কেশুর বাড়ী এলাকার শতাধিক পরিবার তাঁতশিল্পের সঙ্গে জড়িত ছিল। কিন্তু কাঁচামালের সংকট, বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় এ শিল্প ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে চলে গেছে। বর্তমানে বহু তাঁত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। 

    ড. শামারুহ মির্জার এই সহযোগিতার আশ্বাসকে তাঁতশিল্প পুনরুজ্জীবনের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। 

    শামারুহ মির্জা মানব সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং সি তারা’স স্টোরির সহপ্রতিষ্ঠাতা। ২০১৭ সালে সি তারা’স স্টোরি নামে এই অলাভজনক দাতব্য সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশের দুই নারী বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন ডাক্তার সিতারা বেগম ও তারামন বিবির নাম থেকে সংস্থাটির নামকরণ করেন তিনি। 

    শামারুহ তাঁর এই সংস্থার মাধ্যমে লাঞ্ছিত ও নির্যাতিত নারীদের সহায়তা ও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করেন। সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় ক্যানবেরা থেকে শামারুহ মির্জাকে ‘এসিটি অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করা হয়েছিলো।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন